Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / নির্বাচন সংক্রান্ত / আওয়ামীলীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর অভিযোগ

আওয়ামীলীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর অভিযোগ

চকরিয়ায় সংঘাতময় হয়ে উঠছে নির্বাচনী মাঠ : হামলায় ৪জন আহত ও অপহরণ-১

Election - 8 (a)

মুকুল কান্তি দাশ; চকরিয়া :

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ১৮টি ইউনিয়নের মধ্যে ১২টিতে আগামী ২৩ এপ্রিল ও উপকূলীয় ৬ ইউনিয়নে ৭ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা নানাভাবে প্রচারণা শুরু করার পাশাপাশি পাড়া-গাঁ হয়ে উঠছে সংঘাতময়। কতিপয় চেয়ারম্যান-মেম্বার প্রার্থী নিজে অথবা তাদের কর্মীরা প্রতিপক্ষের কর্মীদের হুমকি, অপহরণ, পোস্টার ছেড়া, মাইক কেড়ে নেয়া ছাড়াও হামলা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত ৯ এপ্রিল শনিবার ফাঁসিয়াখালীতে দুই দফা হামলায় দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর ভাইসহ ৪ কর্মী আহত ও একজনকে অপহরণ করা হয়েছে বলে স্বতন্ত্র ও বিএনপির মনোনিত প্রার্থী পৃথক অভিযোগে দাবী করেন।

ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আনারস প্রতিক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করা সাংবাদিক মাইনউদ্দিন হাসান শাহেদ প্রথমে মৌখিক ও পরে রিটার্নিং অফিসার এবং থানায় দাখিল করা অভিযোগে দাবী করেন, ৯ এপ্রিল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পোস্টার লাগাতে যাওয়ার সময় আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থীর লোকজন হামলা চালায় ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের নোয়াপাড়া বাজার এলাকায়। হামলায় আমার ভাই সোহেল আবছার নাহিদ (৩০) ও কর্মী ইউনুছ (২৭) আহত হয়। তাদের কাছ থেকে ৪শ পোস্টার, ২টি ব্যানার বেশকিছু লিফলেট কেড়ে নেয়।

চেয়ারম্যার প্রার্থী শাহেদ আরো অভিযোগ করেন, এদিন সন্ধ্যার দিকে প্রচারণায় বের হওয়া কর্মী দিদারুল ইসলাম (২১)কে অপহরণ করা হয়েছে। কেড়ে নেয়া হয়েছে মাইক। দুটি ঘটনার ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়েছে। লিখিতভাবে জানানো হয়েছে রিটার্নিং অফিসার ও পুলিশকে।

এদিকে, অপহৃত দিদারকে গত শনিবার রাত ৮টা দিকে গভীর বনভূমি থেকে উদ্ধার করেছে স্থানীয় জনগণ।

একই ইউনিয়নের বিএনপি মনোনিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা মোহাম্মদ এহসানুল করিম   রিটার্নিং অফিসারের দপ্তরে দেয়া অভিযোগে দাবী করেন, সরকারী দল সমর্থিত প্রার্থীর ১৫-২০জন লোক ৯ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে মোটর সাইকেল নিয়ে এসে টাঙ্গানো ধানের শীষ প্রতিকে পোস্টার ছিড়ে ফেলে। পিটিয়ে আহত করে আকবর আহমদের ছেলে হেলাল উদ্দিন (৩১) ও আহমদ হোসেনের ছেলে আবুল নছর (৩২) কে। অভিযোগ তিনি আরো দাবী করেন,এলাকায় পোস্টার লাগালে অপহরণসহ হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে।

ঘটনা ব্যাপারে জানতে মুঠোফোনে চেষ্টা করলেও সরকার সমর্থিত নৌকা প্রতিকের প্রার্থী গিয়াসউদ্দিন চৌধুরীর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। অন্য একজন তার ফোন রিসিভ করে বলেন তিনি এখন মিটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছেন পরে যোগাযোগ করেন।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম জানান, এ ধরনের একটি ঘটনার কথা শুনেছি। ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্বাচনি পরিবেশ যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য প্রশাসন সচেষ্ট রয়েছে।

Leave a Reply