Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / ইসলামপুরে তিন বসতঘর পুড়ে ছাই : ক্ষয়ক্ষতি ১৫ লক্ষাধিক টাকা

ইসলামপুরে তিন বসতঘর পুড়ে ছাই : ক্ষয়ক্ষতি ১৫ লক্ষাধিক টাকা

ইসলামপুরে তিন বসতঘর পুড়ে ছাই

এম আবু হেনা সাগর; ঈদগাঁও :

কক্সবাজার সদর উপজেলার শিল্পনগরী খ্যাত ইসলামপুরে পল্লী বিদ্যুতের শর্ক সার্কিটের আগুনে তিন বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারী) সকাল ৯ টায় বর্ণিত ইউনিয়নের উত্তর খান ঘোনা কাচারী পাহাড় গ্রামে ঘটে এ দুর্ঘটনা। এতে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, মূল্যবান আসবাবপত্রসহ প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে দাবী করছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা। তারা ঈদগাঁও পল্লী বিদ্যুতের খাম খেয়ালীপনার কারনে এ অগ্নি দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে দাবী করছেন। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। খবর পেয়ে ঈদগাঁও পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পুড়ে যাওয়া মিটার ও সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছেন বলে জানা গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় রুকনের মতে, সকাল পৌনে ৯ টার সময় প্রবাসি সালাহ উদ্দিন মিন্টুর বসতবাড়ির লাগোয়া পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এসময় তিনি আগুনে লেলিহান শিখা দেখে শোর চিৎকার করলে এলাকাবাসি এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। ততক্ষনে তিন বসতঘর সম্পুর্ণ ভস্মিভূত হয়। পরিবারের লোকজন ঘরের বাহিরে থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে রয়েছে বর্ণিত এলাকার হাফেজ বেদারুল ইসলামের পুত্র প্রবাসি সালাহ উদ্দিন মিন্টু, মৃত আবদু শুক্কুরের পুত্র মো: ইউনুছ, মোহাম্মদ ইদ্রীসের বসতঘর। তাদের মধ্যে মিন্টুর পরিবারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তার বসতবাড়ির আলমিরায় রক্ষিত প্রায় ৬ লাখ টাকা, ২টি ফ্রীজ, ২টি টিভি, ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার, ও মূল্যবান কাপড় চোপড় সহ প্রায় ১৪ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।

তার পাশ্ববর্তী পরিবার মো: ইউনুছ ও মো: ইদ্রীসের মতে, আগুনে তাদের মূল্যবান আসবাবপত্রসহ মেয়ে বিয়ে দেয়ার জন্য রক্ষিত ৫০ হাজার টাকাও পুড়ে ছাই হয়েছে। স্থানীয়রা প্রাণপন চেষ্টা করেও বিদ্যুতের ভয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। এসময় তারা কয়েক দফে ঈদগাঁও পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে লাইন বন্ধ করার জন্য ফোন করলে কর্তব্যরত কর্মকর্তারা তা আমলে নেয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসির। তারা আজকাল করে সময়ক্ষেপণ করায় এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে তারা খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

%d bloggers like this: