শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বিএনপির জন্য অপেক্ষা করবে নির্বাচন কমিশন বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবি, ১৭ জেলে উদ্ধার সুদানে বন্যায় ৭৭ জনের মৃত্যু বিশ্বের প্রথম ২০০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা আনল মটোরোলা  লামায় গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে ধূম্রজাল লামায় বিদ্যুৎ যাচ্ছে অটোরিকশা-টমটমের পেটে লামায় ৬৯ লিটার চোলাই মদসহ ব্যবসায়ী আটক ১ ঈদগড়ের চালক শহিদুল হত্যাকান্ডে আটক আসামীদের জামিন না মঞ্জুর এবং পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন অসহায় পিতা শুভ জন্মাষ্টমী আজ সারা দেশে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে রামুতে আ’লীগের সমাবেশ অনুষ্ঠিত দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে ঈদগাঁওতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ঈদগড়ে বাঁশ-বেত শিল্প বিলুপ্তির পথে

বাঁশ-বেত শিল্প বিলুপ্তির পথে

বাঁশ-বেত শিল্প বিলুপ্তির পথে

বাঁশ-বেত শিল্প বিলুপ্তির পথে

হামিদুল হক, ঈদগড় :

কক্সবাজার জেলার ঈদগড়ে ঐতিহ্যবাহী বাঁশ ও বেত শিল্প এখন বিলুপ্তির পথে। পুঁজির অভাবে, উপকরণের ধষ প্রাপ্যতা ও পণ্যের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় ঈদগড়ের বহু পরিবার অভাব অনটনে দিন কাটাচ্ছে। ইতোমধ্যে এ শিল্পের সাথে জড়িত অনেকেই বাপ-দাদার পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় জড়িয়ে পড়েছে। এক সময়ে ঈদগড়ের বিভিন্ন গ্রামের অর্ধশতাধিক পরিবার নিপুণ হাতে তৈরি করা উন্নতমানের ধামা, ঢোল, ঢালা, চাটাই, কুলা, মুড়া, ঝুড়ি, চেয়ারসহ বিভিন্ন সামগ্রী বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করত। তখন বাজারে বাঁশ ও বেতের তৈরি এসব পণ্যের চাহিদা থাকায় অনেক মানুষ বাড়িতে গিয়ে অর্ডার দিত। এতে তাদের জীবন যাপন স্বচ্ছন্দময় ছিল। কিন্তু বর্তমানে চাহিদা না থাকায় এসব পরিবারে অভাব-অনটন নেমে এসেছে। এরপরও ছগিরাকাটা এবং করলিয়ামুরা এলাকার একটি অংশ পূর্ব পুরুষের পেশাকে এখনো আঁকড়ে পড়ে আছে।

বেতশিল্পের সঙ্গে জড়িত ছগিরা কাটার আবদু ছোবহান ও করলিয়ামুরা এলাকার মোহাম্মদ কালু জানান, আগে এলাকায় প্রচুর বেত উৎপাদন হতো। স্বল্পমূল্যে অনায়াশে বেত পাওয়া যেত। এখন বেত নেই বললেই চলে। দূর-দূরান্ত থেকে বেত কিনে আনতে হয়। দামও অনেক। এ পেশায় জড়িত আরো অনেকে জানান, মাত্র কয়েক বছর আগেও এ অঞ্চলে বাঁশ সহজলভ্য ছিল। ৪০ থেকে ৫০ টাকায় একটি বাঁশ কেনা যেত। এখন একটির দাম দেড়শ থেকে দুইশ টাকা। কিন্তু সে অনুপাতে তৈরি জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি। পাশাপাশি প্লাষ্টিকের তৈরি দ্রব্যাদির কারণে এগুলির চাহিদাও কমে গেছে। এ শিল্পের সাথে জড়িত পরিবারগুলোর দাবী, পরিবার ভিত্তিক ব্যাংক ঋণ প্রদান, আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি উপকরণ সরবরাহের ব্যবস্থা করলে কুটির শিল্পকে একমাত্র অবলম্বন করে টিকে থাকা এখনো সম্ভব।

https://www.facebook.com/coxview

Design BY Hostitbd.Com