Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / ভ্রমণ ও পর্যটন / ঈদের দীর্ঘ ছুটি পর্যটকদের বরণে ব্যাপক প্রস্তুতি

ঈদের দীর্ঘ ছুটি পর্যটকদের বরণে ব্যাপক প্রস্তুতি

CoxsBazar Sea

শহীদুল্লাহ কায়সার; কক্সভিউ :

আসন্ন ঈদের দীর্ঘ ছুটিকে সামনে রেখে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। তাঁরা আশা করছেন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকায় এবার পর্যটন ব্যবসা ভালো হবে। ইতোমধ্যে (২৮ জুন পর্যন্ত) জেলার হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউজ, রেস্ট হাউজ, কটেজগুলোর ৬০ থেকে ৭০ ভাগ বুকিং হয়ে গেছে। সামনের দিনগুলোতে যা ১০০ ভাগে পৌঁছতে পারে বলে জানালেন এক হোটেল ব্যবসায়ী। প্রতি বছরের মতো এবারের ঈদে আগে পর্যটকদের বেশিরভাগই দেশের মানুষ। বিদেশী পর্যটক আসছেন না বললেই চলে।

এ প্রসঙ্গে বিলাসবহুল হোটেল সায়মানের ব্যবস্থাপক (সার্বিক) পু টু ডু ফার্নালেন্দজ বলেন, “বিদেশী পর্যটকদের বেশিরভাগই সময় বাঁচাতে বিমানযোগে ভ্রমণকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। বর্তমানে ঢাকার সাথে কক্সবাজারের বিমান যোগাযোগ ভালো নয়। মাত্র একটি বিমান দিয়ে বিপুল সংখ্যক বিদেশী পর্যটককে কক্সবাজারের প্রতি আকৃষ্ট করা সম্ভব নয়।” বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থা যাই হোক, পর্যটকদের স্বাগত জানাতে কোন ধরণের কার্পণ্য করছেন না হোটেল ব্যবসায়ীরা। যে কোন প্রকারে আগত পর্যটকদের সন্তুষ্ট করাই এখান তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। এক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন বিলাস বহুল হোটেলগুলো। সায়মান, উইন্ডি ট্যারেস, লং বিচ, ওশান প্যারাডাইজ, কক্স টুডে’র মতো হোটেলগুলো তাদের গ্রাহকদের জন্য ঘোষণা করেছে বিশেষ ছাড়। হোটেল সায়মানের পক্ষ থেকে ঈদ মৌসুমে হোটেলটিতে অবস্থানরত পর্যটকদের জন্য শতকরা ১০ থেকে ২০ ভাগ ছাড় ঘোষণা করেছে। অন্যান্য বিলাসবহুল হোটেলগুলো বিমানবন্দর থেকে তাদের অতিথিদের হোটেল নিয়ে আসবে নিজস্ব পরিবহন দিয়ে।

এছাড়া বিনামূল্যে দিচ্ছে সকালের নাস্তা ও রাতের খাবার। ক্ষেত্র বিশেষে এসব হোটেলের রুম প্রতি শতকরা ২০ থেকে ৪০ ভাগ পর্যন্ত ছাড় দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে কক্সবাজার শহরে বিলাসবহুল হোটেল, গেস্ট হাউজ, কটেজ, রেস্ট হাউজের সংখ্যা চার শতাধিক। যেখানে এক সঙ্গে দেড় লক্ষাধিক পর্যটক রাতযাপন করতে পারেন। হোটেল মোটেল গেস্ট হাউজ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বলেন, “ঈদ মৌসুমে পর্যটকদের জন্য তাদের পক্ষ থেকে বিশেষ সুবিধা দেয়া হবে। একটি দুই বেড়ের কক্ষে তিন থেকে চার জন পর্যটককে রাতযাপনের সুযোগ দেয়া হবে। এটি হলে আসন্ন ঈদ মৌসুমে এক সাথে তিন লাখ পর্যটক কক্সবাজারে রাত যাপন করতে পারবেন।” পর্যটকরা রুম বুকিং দিলেও আবহাওয়া এতে বাধ সাধতে পারে বলে জানালেন কয়েকজন পর্যটন ব্যবসায়ী।

তাঁরা বলছেন, এখনো পর্যন্ত ৬ ও ৭ জুলাই এই দু’দিনের জন্য রুম বুকিং দেয়া হয়েছে। বৃষ্টি না হলে এই মেয়াদ আরো তিন থেকে চার দিন পর্যন্ত বাড়তে পারে।

%d bloggers like this: