শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বিএনপির জন্য অপেক্ষা করবে নির্বাচন কমিশন বিশ্বের প্রথম ২০০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা আনল মটোরোলা  লামায় গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে ধূম্রজাল লামায় বিদ্যুৎ যাচ্ছে অটোরিকশা-টমটমের পেটে লামায় ৬৯ লিটার চোলাই মদসহ ব্যবসায়ী আটক ১ ঈদগড়ের চালক শহিদুল হত্যাকান্ডে আটক আসামীদের জামিন না মঞ্জুর এবং পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন অসহায় পিতা শুভ জন্মাষ্টমী আজ সারা দেশে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে রামুতে আ’লীগের সমাবেশ অনুষ্ঠিত দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে ঈদগাঁওতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ কক্সবাজার সৈকতে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার  বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা ভাঁজযোগ্য ফোন দেখাল শাওমি

উখিয়ায় কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ শুরু না হওয়ায় হতাশ শ্রমিকরা

http://coxview.com/wp-content/uploads/2016/11/No-Photo-1.jpeg

হুমায়ুন কবির জুশান, উখিয়া :

সরকার গ্রামীণ জনপদের সংস্কারমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়নের পাশাপাশি হতদরিদ্রদের কর্মস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বছর বছর সারাদেশে কর্মসৃজন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। গত ১০ জানুয়ারী উখিয়ার ৫ ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচী প্রকল্পের কাজ শুরু করার নির্দেশ থাকলেও আইনী জটিলতার কারণে যথা সময়ে কাজ শুরু না হওয়ায় শ্রমিকদের মাঝে দেখা দিয়েছে হতাশা। তবে একাধিক জনপ্রতিনিধির মন্তব্য অতিশীঘ্রই কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ শুরু হতে পারে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে উখিয়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিভাজন করা ১৬৭০ জন শ্রমিকের বিপরীতে ৪০ দিনের কর্মসংস্থান কর্মসূচী প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ৩৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। উক্ত ব্যয় বরাদ্ধে ৩৫টি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য জনপ্রতিনিধিরা একটি প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেছে।

তাদের প্রদত্ত তালিকায় দেখা গেছে, পালংখালী ইউনিয়নে ৫৩২ জন শ্রমিকের জন্য ৬টি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান জানিয়েছেন। এছাড়া রত্নাপালং ইউনিয়নে ১৫০ জন শ্রমিকের জন্য ৪টি প্রকল্প, রাজাপালং ইউনিয়নে ৩৪৩ জন শ্রমিকের জন্য ৯টি প্রকল্প, হলদিয়াপালং ইউনিয়নে ৩৫০ জন শ্রমিকের জন্য ৯টি প্রকল্প ও জালিয়াপালং ইউনিয়নে ২৬৮ জন শ্রমিকের জন্য ৭টি প্রকল্প সহ ৩৫টি প্রকল্পের একটি খসড়া তালিকা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার নিকট পেশ করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

রাজাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী জানান, অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও তারা নিজ উদ্যোগে একটি তালিকা তৈরি করেছিলেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সুনির্দিষ্ট শ্রমিকের তালিকা বিভাজন করায় তাদেরকে নতুন করে শ্রমিকের নাম ওই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে গিয়ে সময় কালক্ষেপন হয়েছে। তবে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে কাজ শুরু করা হবে বলে তিনি সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করেন।

রত্নাপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খাইরুল আলম চৌধুরী জানান, এবারের হতদরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচী প্রকল্পে কোনরূপ অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার আশ্রয় প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, প্রয়োজন বশত: সরকারি টাকা সরকারি কোষাগারে পুণরায় ফেরত যাবে। তবুও কাজ না করে মজুরীর টাকা ছাড় দেওয়া হবে না। পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম.গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, আগামীকাল শনিবার থেকে তার ইউনিয়নে কাজ শুরু করা হবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ জানান, জনপ্রতিনিধিরা এ পর্যন্তও শ্রমিকের নামের তালিকা তার কাছে জমা দিতে পারেনি বিধায় কাজ কখন শুরু করা হবে তাও তিনি সুনির্দিষ্ট ভাবে বলতে পারছেন না। এদিকে যথাসময়ে হতদরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচী প্রকল্পের কাজ শুরু না হওয়ায় এবং শ্রমিকের তালিকা থেকে অনেকেই বাদ পড়ার ঘটনা নিয়ে হতদরিদ্রদের মাঝে দেখা দিয়েছে হতাশা।

https://www.facebook.com/coxview

Design BY Hostitbd.Com