Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / শিক্ষা-দিক্ষা / এবার উৎসব নয়, বছরের শুরুতেই নতুন বই পাচ্ছেন ঈদগাঁওর শিক্ষার্থীরা

এবার উৎসব নয়, বছরের শুরুতেই নতুন বই পাচ্ছেন ঈদগাঁওর শিক্ষার্থীরা

School - Book

এম আবু হেনা সাগর; ঈদগাঁও :

নতুন বছরের শুরুতেই কক্সবাজার জেলা সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁওর প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা নতুন পাঠ্যবই পেতে যাচ্ছে। এবারে করোনা সংকটে বই উৎসব হবেনা। তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বই বিতরণের কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধানগণ।

সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁওর জালালাবাদ, ইসলামাবাদ, ইসলামপুর, পোকখালী এবং ঈদগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অধির আগ্রহে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন নতুন বছরের নতুন পাঠ্যবইয়ের আশায়। শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্ধ থাকলেও অভিভাবকদের সাথে গিয়ে নতুন বই নেবে এমনি আশায় রয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থী জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে নতুন বছরের প্রথম দিন নতুন বই হাতে নিয়ে স্কুল থেকে বাড়ীতে আসার আনন্দটা ছিল আলাদা। এবার সেই আনন্দ থেকে বাদ পড়লাম করোনা সংকটের ফলে।

ভোমরিয়াঘোনা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাব্বির আহমদ জানান, নতুন বছরের প্রথম দিন (১লা জানুয়ারী) বই বিতরণ হতে পারে। তবে উৎসব ও জনসমাগম নয়।

জালালাবাদ মাইজ পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন কক্সবাজার প্রতিদিনকে জানান, বছরের প্রথম দিন সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নো মাস্ক, নো সার্ভিসের ভিত্তিতে উৎসব ছাড়াই বই বিতরণ করা হবে। পর্যায়ক্রমে এ বই বিতরণ চলবে।

আরো পড়ুন: স্কুল বন্ধ রেখেই দেয়া হবে নতুন পাঠ্যবই

ঈদগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিক আহমদ জানান, উপজেলা পর্যায়ে নিদের্শনার আলোকে নতুন বছরের শুরুর দিন বই বিতরণ করা হবে। যতদিন শিক্ষার্থীরা বই হাতে পাবেনা, ততদিন বই বিতরণ করা হবে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার সূত্রে জানা যায়, ১লা জানুয়ারী সকল বিদ্যালয়ে সকল শ্রেণির বই আবশ্যিকভাবে বিতরণ করতে হবে, বই বিতরণ ও বিতরণ সংক্রান্ত অন্যান্য সকল কাজে সকল শিক্ষক আবশ্যিকভাবে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে হবে, শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরিধান করে বই গ্রহণ করবে, শ্রেণিভিত্তিক আলাদা আলাদা গ্রুপ ও বুথ করে বই বিতরণ করতে হবে, বই বিতরণের আগের দিন শিক্ষার্থী ভিত্তিক বই প্যাকেট করে নিতে হবে, বই বিতরণের সাথে সাথে শিশুদেরকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে হবে, বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে, বই বিতরণে কোন ধরনের উৎসব ও জন সমাগম করা যাবে না, বই বিতরণের দিন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয় পরিদর্শনে যাবেন, নো মাস্ক, নো সার্ভিস নীতি অনুসরণ করতে হবে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: