Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়ক দখল : কর্তৃপক্ষ নিরব

কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়ক দখল : কর্তৃপক্ষ নিরব

Ajit 16-03-2016 (news 1pic) f1

অজিত কুমার দাশ হিমু; কক্সভিউ :

বিশ্বের দীর্ঘসমূদ্র সৈকত নগরী কক্সবাজার। এটি হেলদী ও জনবান্ধব নগরী হিসাবেও পরিচিত। কিন্তু এ শহরের প্রধান সড়ক সহ বিভিন্ন উপসড়ক গুলো বর্তমান দখলবাজদের কবলে। দখলবাজরা এ সড়ক গুলোর উপর নির্মাণ সামগ্রীর স্তুপ করে জন ও যান চলাচলে বাঁধার সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও নিরব দর্শকের ভূমিকায় অবতীর্ণ। যেন এ শহরে কোন কর্তৃপক্ষ নেই। বিজ্ঞজনরা মনে করছেন এভাবে চলতে থাকলে একসময় বসবাসের উপযোগীতা হারাবে এ শহর।

সরজমিনে দেখা যায়, কক্সবাজার শহরের ব্যস্ততম প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন উপ সড়ক গুলোর উপর নির্মাণ সামগ্রী রেখে বহুতল ভবনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ভবন মালিকরা। তারা সড়কের উপর নির্মাণ সামগ্রী রেখে কাজ করার কারনে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। সড়কের উপর লোহার রড, বালি, কংকর, ইট ও সিমেন্ট সহ অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী রাখার ফলে চলাচলের সড়ক গুলো সংকুচিত হয়ে পড়ার কারণে প্রতিনিয়ত যানজট লেগেই আছে। এতে করে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা সহ নানা ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে বলে জানা যায়।

আরও জানা যায়, শহরের অত্যন্ত ২০/৩০টি গুরুত্বপূর্ণ স্পটে সড়কের উপর নির্মাণ সামগ্রী রেখে চালাচ্ছে নির্মাণ কাজ।

এদিকে শহরের প্রধান সড়কস্থ লালদীঘির দক্ষিণ পাড়ে চলছে একটি বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ। নির্মানাধীন ওই ভবনটি রূপালী ব্যাংক এর নিজস্ব সম্পত্তি। গত এক দেড় মাস যাবত্ গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের উপর নির্মাণ সামগ্রী রেখে ভবন নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এতে করে প্রতিনিয়ত যানজট সহ পথচারীদের চলচলে চরমভাবে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে রূপালী ব্যাংক সদন শাখার এজিএম কাজী এনামুল হক জানান, উক্ত নির্মাণাধীন ভবনের তত্ত্বাবধায়ক ইঞ্জিনিয়ার জরুরী কাজে অন্যত্র চলে যাওয়ার কারণে যথাসময়ে নির্মাণ কাজটি শেষ করা যাচ্ছে না।

পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছৈয়দুল হক আজাদ জানান, এ পর্যন্ত কেউ এ ব্যাপারে অভিযোগ করেনি। যদি কেউ লিখিতভাবে অভিযোগ করেন। তাহলে পৌর কর্তৃপক্ষ এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রানা প্রিয় বড়ুয়া জানান, কেউ সড়ক দখল করে নির্মাণ সামগ্রীর স্তুপ করে রাখলে এ ব্যাপারে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারে। এ ব্যাপারে আমাদের করার কিছু নাই।

অপরদিকে ভূক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে, অচিরেই বসবাস অনুপযোগী হয়ে পড়বে এ হেলদী শহর।

%d bloggers like this: