Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / কুতুবদিয়া ইউএনও এর অপসারণ দাবীতে আ’লীগ ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের যৌথ সংবাদ সম্মেলন

কুতুবদিয়া ইউএনও এর অপসারণ দাবীতে আ’লীগ ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের যৌথ সংবাদ সম্মেলন

Rasel 27-3-16 (news 3pic) f1 (2)

নিজস্ব প্রতিনিধি; কুতুবদিয়া :

 

সদ্য অনুষ্ঠিত হওয়া ইউপি নির্বাচনে জামায়াত বিএনপির প্রার্থীরা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাছিনার ছবি পুড়িয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানোর ঘটনায় কোন ধরণের আইনী পদক্ষেপ না নেয়ায় কুতুবদিয়ার ইউএনও ও পুলিশের বিরুদ্ধে উপজেলা আ’লীগের সভাপতির কার্যালয়ে ২৬ মার্চ দুপুর ১২ টার সময় সংবাদ সম্মেলন করেছে কুতুবদিয়া উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার ও উপজেলা আ’লীগ।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কুতুবদিয়া উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার মোজাফ্ফর আহমেদ । তিনি বলেন, ১৭মার্চ রাতে ইউপির নির্বাচনী প্রচারণায় আ’লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের প্রতি প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে বিএনপি-জামায়াত ও স্বতন্ত্রপ্রার্থীরা (দুস্কৃতিকারীরা) উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ছিড়ে ফেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে সর্বকালের সর্ব শ্রেষ্ট্র বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রিকে অবমাননা করেছে। এ ঘটনায় ১৮মার্চ কুতুবদিয়া উপজেলা আ’লীগ ও অঙ্গসংগঠন দুস্কৃতিকারীদের আইনের আওতায় আনতে কুতুবদিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে বিকাল ৩টায় প্রতিবাদ সমাবেশ করে।

প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে মিছিল সহকারে ইউএনও ও ওসি কুতুবদিয়াকে পৃথক পৃথক স্মারকলিপি প্রদান করেন নেতৃবৃন্দ। কিন্তু স্মারকলিপি প্রদানের এক সপ্তাহ অতিবাহিত হয়ে গেলেও উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনী দুস্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে কোন ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। বরং ওই দুস্কৃতিকারীদের পক্ষে মোটা অংকের টাকার বিনময়ে নির্বাচনে সহায়তা করেছেন।

তাছাড়া সদ্য ফলাফল প্রাপ্ত ইউপির চেয়ারম্যানদের নামে চিঠি পাঠিয়ে এবং মাইকে স্বাধীনতা বিরোধী সংগঠন জামায়েতের নেতার নাম প্রচার করে দাওয়াত দিয়ে স্বাধীনতা দিবসকে ছোট করা হয়েছে। অন্যদিকে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ও উপজেলা আ’লীগেরর নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। এ কারনে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীর এহেন গর্হিত কাজের প্রতিবাদে কুতুবদিয়া উপজেলা প্রশাসনের ব্যানারে আয়োজিত ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ও আ’লীগসহ আ’লীগের অঙ্গ সংগঠন।

সাংবাদিক সম্মেলনে কুতুবদিয়া উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আওরঙ্গজেব মাতবর বলেন, ইউএনও ২২ মার্চের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখতে পারেননি। ইউএনও মোটা অংকের টাকার বিনময়ে আ’লীগ বিদ্বেষী হয়ে বিএনপি-জামাতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছে। এ কারনে তিনি নির্বাচন চলাকালীন সময়ে শুধু নৌকা প্রতীকের ব্যাজ ধারনকৃত আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের মারধর করে জেল জরিমানা করেছেন। আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে যদি কুতুবদিয়ার ইউএনও ও আ’লীগ বিদ্বেষী প্রশাসনকে অপসারণ করা না হয় তাহলে কুতুবদিয়া উপজেলা আ’লীগ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডদের সাথে নিয়ে দুর্বার অন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কুতুবদিয়া উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুচ্ছাফা বি.কম, প্রস্তাবিত কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু ইউছুফ মাতবর, সহ-সভাপতি হাজী মুহাম্মদ তাহের, মাষ্টার মুহাম্মদ ইউনুছ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফ মোশারফ,নজরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা নূরুচ্ছাফা বি.কম, লিয়াকত আলী, পুলিন বিহারী, ভোলা নাথ, প্রস্তাবিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম (লালা), রেজাউল করিম, প্রচার সম্পাদক মোঃ শাহাজাহান সিকদার, সেলিম উদ্দিন লিটন, বড়ঘোপ ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আবুল কালাম এম ইউপি, লেমশীখালী ইউনিয়ন সভাপতি রফিক সিকদার, আ’লীগ নেতা মনজুর আলম, বড়ঘোপ ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক আরিফুল ইসলাম, সাবেক কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সদস্য ও কুতুবদিয়া ছাত্রলীগের এইচ এম সাজ্জাদসহ দলীয় অসংখ্য নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

%d bloggers like this: