Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / অপরাধ, আইন-আদালত / চকরিয়ার ‘ইনু’ ডাকাতের গুলিবিদ্ধ লাশ রামু থেকে উদ্ধার

চকরিয়ার ‘ইনু’ ডাকাতের গুলিবিদ্ধ লাশ রামু থেকে উদ্ধার

Lash - Mukul 15.07.16 news 1pic f1

মুকুল কান্তি দাশ; চকরিয়া :

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ডাকাতি, অস্ত্র ও হত্যাসহ ১৭ মামলার পলাতক আসামী মো. ইউনুছ প্রকাশ ইনু ডাকাতের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার হয়েছে।

১৫ জুলাই শুক্রবার সকালে জেলার রামু উপজেলার ঈদগড় হাজির কাজারের নিকটবর্তী পাহাড়ি এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে রামু থানা পুলিশ। প্রথমে লাশের পরিচয় না মিললেও পরে স্ত্রী জোবাইদা বেগম নিশ্চিত করেন লাশটি তার স্বামী ইউনুছের।

মারা যাওয়া মো. ইউনুছ প্রকাশ মৌলভী ইউনুছ প্রকাশ ইনু ডাকাত ডুলাহাজারার ভিলেজার পাড়ার মৃত মোহাম্মদ হোসেনের ছেলে।

পরিবার সুত্রে জানা যায়, ১৪ জুলাই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার সময় তার নিজ গ্রাম ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ভিলেজার পাড়াস্থ একটি দোকান থেকে মোহাম্মদ ইউনুছ প্রকাশ ইনুকে একটি কালো রংয়ের মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় কতিপয় ব্যক্তি। পরবর্তিতে তার স্বজনরা চকরিয়া থানায় যোগাযোগ করলে এ ব্যাপারে উদ্ধার অভিযান চলবে বলে জানায় পুলিশ।

স্থানীয় লোকজন জানায়, গত ১১ জুলাই ভোর রাতে ডুলাহাজারার ভিলেজার পাড়ায় ডাকাতি ও অপহরণ ঘটনার সময় ইনুকে কুপিয়ে জখম করে ডাকাতরা। মামলা থাকায় গ্রেপ্তার এড়াতে লুকিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছিল সে। এ সময় তাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান অব্যাহত রাখে। এরই মধ্যে শুক্রবার ইনু ডাকাতের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার হয় রামুর পাহাড় থেকে।

এদিকে, ইনু ডাকাত মারা যাওয়ার খবর জানাজানি হলে এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে। অনেকেই শোকরিয়া আদায় করে একজন গুরুতর অপরাধীর মৃত্যুর খবরে। নিহত ইনু ৯৫ সালে বনজ সম্পদ চুরির মাধ্যমে অপরাধ জগতে প্রবেশ করে। ১৯৯৯ সালে ইনু ডাকাত প্রথম গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করেন। কারাগার থেকে জামিনে বেরিয়ে ফের সশস্ত্র একাধিক দল গঠন করে অপহরণ, ডাকাতিসহ নানা অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে গেলেও তার নাগাল স্পর্শ করতে পারেনি পুলিশ। অবশেষে নিজের সৃষ্ট সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতেই ইনুকে জীবন দিতে হলো বলে পুলিশ প্রশাসনের অভিমত।

চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো.কামরুল আজম বলেন, ইনু ডাকাতের লাশ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত হয়েছি। রামু এলাকা থেকে লাশ পাওয়ায় ওই থানায় হত্যা মামলা হবে। নিহত ইনুর বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় ৫টি ডাকাতি, ৩টি অস্ত্র আইনে ও ১টি হত্যাসহ ১৭টি মামলা রয়েছে। পাশাপাশি ইনু পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। তার লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্ত করতে।

%d bloggers like this: