Home / প্রচ্ছদ / চকরিয়ায় ঘরের দরজা ভেঙ্গে ডাকাতি : ৭ লাখ টাকার মালামাল লুট, আহত-৩

চকরিয়ায় ঘরের দরজা ভেঙ্গে ডাকাতি : ৭ লাখ টাকার মালামাল লুট, আহত-৩

Chintai - 6 (a)নিজস্ব প্রতিনিধি; চকরিয়া :

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের মাঝেরফাঁড়ি এলাকায় সাবেক স্বাস্থ্য পরিদর্শক নুরুল আলম রেজার বসতবাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। ডাকাতদল পরিবার সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বসতবাড়িতে তান্ডব চালায়। তারা নগদ দেড় লাখ টাকা, ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, কয়েকটি মোবাইল সেট ছাড়াও অন্তত ৭ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ডাকাতিকালে বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করায় ডাকাতের দায়ের কোপে আহত হয়। গৃহকর্তা নুরুল আলম রেজা (৭০), তার স্ত্রী গোলনাহার বেগম (৫৫), ছেলে ওয়াসিম রেজা (৩০) ও পুত্রবধূ। রবিবার ভোররাত ২ টার দিকে ২০-২৫ সদস্যের মুখোশ পরিহিত সশস্ত্র ডাকাত বাড়িটিতে হানা দেয়। তারা কলাপসিবল গেইটের তালা কেটে ও দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে। এদিকে ডাকাতির পর সন্ধ্যা পর্যন্ত ডাকাত কবলিত বাড়িতে যায়নি পুলিশ।

ডাকাত কবলিত পরিবার সদস্যরা জানান, রবিবার ভোররাত ২টার দিকে ডাকাতি করে সশস্ত্র ডাকাতদল চলে যাওয়ার পর আহতদের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। শারিরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে গুরুতর আহত নুরুল আলম রেজাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

গোলনাহার বেগম জানান, ঘুমন্ত অবস্থায় গেইটের তালা কাটার পর দরজা ভাঙ্গার শব্দ শুনে আমরা জেগে দেখি ঘরে প্রবেশ করেছে ১৪-১৫জন মুখোশ পরিহিত ডাকাত। তাদের আরো সহযোগী ঘরের বাইরে অবস্থান করছিল। এ সময় আমার বৃদ্ধ স্বামী চিত্কার দিলে তাকে কুপিয়ে গুরতর জখম করে। তাকে উদ্ধার করতে গেলে আমাকে, আমার ছেলে ও ছেলের বউকে মারধর করে। পরে ডাকাতরা লুট করা টাকাসহ মালামাল নিয়ে চলে যায়।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জহিরুল ইসলাম খান বলেন, কাকারার মাঝেরফাঁড়ি এলাকায় ডাকাতির কোন ঘটনার ব্যাপারে কেউ জানায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহকাল ধরে হঠাত্ করে ডাকাতি বেড়ে গেছে চকরিয়ায়। চিংড়িঘের, সড়ক, খামার, বসতঘরসহ নানা স্থানে প্রতি রাতেই ডাকাতি হচ্ছে। ঘটছে অপহরণসহ নানা অপরাধ। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ বা মামলা করলেও আইনী সহায়তা পায়না বলে অভিযোগ উঠেছে। পক্ষান্তরে বিদেশে কোন ঘটনা ঘটলেও নগদ টাকা পেলেই মৌখিক অভিযুক্ত ব্যক্তিকেও পুলিশ আটক করে। কিন্তু আদালতের মাধ্যমে অপহরণ চাঁদাবাজিসহ মারধরের অভিযোগে মামলা হলেও ওই মামলার আসামীরা থানায় ঘুরে প্রকাশ্যে। এতে চকরিয়ায় ফি-দিন বেড়েই চলছে অপরাধের ঘটনা।

%d bloggers like this: