বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ০৯:২৩ অপরাহ্ন

চকরিয়ায় চিংড়িঘেরে পুলিশের অভিযান, ফাঁসানোর অভিযোগ : পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২০ রাউন্ড কার্তুজসহ গ্রেপ্তার-৩

handcaff-mukul-14-10-1216-news-2pic-2

মুকুল কান্তি দাশ; চকরিয়া :

কক্সবাজারের চকরিয়ায় উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন পশ্চিম বড় ভেওলার লম্বাখালীস্থ চিংড়িঘের থেকে পিস্তলসহ পাঁচটি দেশীয় তৈরী আগ্নেয়াস্ত্র, বেল্টসহ ২০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি রাম দা ও চারটি মোবাইল সেট উদ্ধার ও তিন যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার ১৪ অক্টোবর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে।

এদিকে অস্ত্র উদ্ধার ঘটনাটি ষড়যন্ত্রমূলক ও সাজানো নাটক বলে দাবি করেছেন ঘের মালিক পক্ষ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চকরিয়ার পশ্চিম বড় ভেওলার দরবেশকাটার আজিজুল হকের ছেলে আবু ওবায়েদ (২৭), একই এলাকার মৃত ফজল করিমের ছেলে আনিসুল মোস্তাফা (৫৪) ও মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের নয়া পাড়ার মৃত ছালেহ আহমদের ছেলে গিয়াস উদ্দিন (৪৫)।

উদ্ধার করা হয় দুটি কাটা বন্দুক, একটি দেশীয় তৈরী পিস্তল, একটি শর্টগান, একটি ইয়ারগানের ন্যায় দেশীয় তৈরী অস্ত্র, ২০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি গুলি রাখার বেল্ট, একটি রামদা ও চারটি মোবাইল সেট।

চকরিয়া বদরখালী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির আইসি মো.ইসমাইল হোসেন বলেন, একটি চিংড়ি ঘেরের খামার বাড়িতে অবৈধ অস্ত্রসহ ডাকাত-সন্ত্রাসীরা জড়ো হয়েছে খবর পায়। নিজেরা অভিযান চালালে জনবল সংকট ও বড় ধরনের সংঘাতের আশংকা দেখা দিতে পারে তাই চকরিয়া থানা ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করি। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলামের নেতৃত্বে বদরখালী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি ও থানার দুইদল পুলিশ অভিযানে যায়। পশ্চিম বড় ভেওলা ইউনিয়নের লম্বাখালীস্থ মৌলভী শহিদুল ইসলামের চিংড়ি ঘেরের খামার ঘেরাও করে তিন যুবককে গ্রেপ্তার ও অস্ত্র-কার্তুজসহ মালামাল উদ্ধার করা হয়।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার সকালে নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির আইসি ইসমাইল মুঠোফোনে চিংড়ি ঘেরে সশস্ত্র সন্ত্রাসী জড়ো হওয়ার খবর দেয়। এই খবর পেয়ে থানার একটি পুলিশ টিমসহ বদরখালী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি পুলিশকে নিয়ে লম্বাখালী চিংড়ি ঘেরে অভিযান চালায়। এসময় অস্ত্র, গুলিসহ বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার ও তিনজনকে গ্রেপ্তার করি। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করবে।

এদিকে, চিংড়ি ঘেরের মালিক পক্ষে এ্যাডভোকেট শহিদ উল্লাহ চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, ইউপি নির্বাচনে মেম্বার পদে প্রতিদ্ব›দ্বীতা করায় আনিসুল মোস্তাফাকে ফাঁসাতে প্রতিপক্ষরা খামারের পাশে চারটি অস্ত্র লুকিয়ে রেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ওই চারটি অস্ত্রের সাথে একটি লাইসেন্স করা অস্ত্র উদ্ধার করে এবং ঘেরের অংশীদার আনিসুল মোস্তাফ ও দুই কর্মচারীকে আটক করে। প্রশাসন তদন্ত করলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।

https://www.facebook.com/coxviewnews

Design BY Hostitbd.Com