Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / চকরিয়ায় জুয়া খেলার ঝগড়াকে কেন্দ্র করে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

চকরিয়ায় জুয়া খেলার ঝগড়াকে কেন্দ্র করে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

Khon - Mukul 16.05.16 news 1pic f1

 

মুকুল কান্তি দাশ; চকরিয়া :

 

কক্সবাজারের চকরিয়ায় দুর্বৃত্তরা কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে আবদুল মুজিব (২৮) নামের এক যুবককে। হত্যার নেপথ্যে একাধিক কারণ বলাবলি হলেও কি কারনে হত্যা করা হয়েছে তা সুস্পষ্ট ভাবে বলতে পারেনি পুলিশ। রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হত্যার ঘটনা ঘটেলেও সোমবার বিকাল পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। লাশের ময়নাতদন্ত হলেও মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল সন্ধ্যায়। নিহত মুজিব ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব ডোমখালী গ্রামের মৃত আহমদ মিয়ার ছেলে।

লাশ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট করা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুকান্ত চৌধুরী বলেন, কিরিচের এক কোপে মুজিব মারা গেছে বলে মনে হচ্ছে। তার ঘাডে কোপ দিলে গলার বেশীরভাগ কেটে যায়। রবিবার রাতেই লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতপাল মর্গে পাঠিয়েছি। সোমবার দুপুরে ময়নাতদন্ত হয়েছে। বিকালে আত্মিয়দের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।

থানার উপপরিদর্শক মহিরউদ্দিন খান উজ্জল বলেন, হত্যার ঘটনার পর থেকেই হত্যায় জড়িতদের ধরতে অভিযানে রয়েছি। কিন্তু হত্যার পর পরই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তাদের অবস্থান নির্ণয়ে একাধিক সোর্স নিয়োগ করেছি।

 

হত্যাকান্ড নিয়ে এলাকার লোকজন ভিন্নমত ব্যক্ত করেছেন। কেউ বলেন, জুয়া খেলার হারজিত ও বাজি ধরা গাছ না দেয়ায় হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আবার কেউ কেউ বলেন ভিটের গাছ ও জমির বিরোধ নিয়ে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটতে পারে।

 

নিহতের স্ত্রী শাহিদা আক্তার বলেন, মুজিব ৮ মাস পূর্বে বিদেশ থেকে ঘরে ফিরে। তার সাথে আমার বিয়ে হয়েছে ৭ মাস পূর্বে। আমি এখন মাসের গর্ভবতী। এই সময়ে আমার স্বামীকে হত্যা করায় অনাগত সন্তানসহ আমি এখন ভবিষ্যত অন্ধকার দেখছি।

 

নিহতের মামা আব্বাছ আলী বলেন, স্থানীয় আমির হোছেন ও নুরুল ইসলাম গং এলাকায় প্রতিনিয়িত জুয়ার আসর বসায়। এতে পাড়ার উঠতি বয়সের তরুণ যুবকরা খারাপ পথে পা বাড়াচ্ছে দেখে জুয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে।

 

চাচা ছৈয়দ আহমদ বলেন, আমার ভাতিজা মুজিবকে হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি চাই। আমি নিজেই বাদী হয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

 

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জহিরুল ইসলাম খান বলেন, এজাহার না পাওয়ায় সোমবার বিকাল পর্যন্ত মামলা এন্ট্রি হয়নি। চাচা বাদী হয়ে ৪-৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করতে এজাহার প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

%d bloggers like this: