Home / প্রচ্ছদ / চকরিয়ায় সড়ক বিভাগের নিষেধাজ্ঞা মানা হচ্ছে না

চকরিয়ায় সড়ক বিভাগের নিষেধাজ্ঞা মানা হচ্ছে না

Tomtomনিজস্ব প্রতিনিধি চকরিয়া:

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের নিষেধাজ্ঞা পালিত হচ্ছে না চকরিয়ায় । এ উপজেলার মহাসড়কে চলছে সিএনজি অটোরিক্সাসহ তিন চাকার গাড়িগুলো। এতে যানজট ও দুর্ঘটনা নিত্যকার ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার মহাসড়কের চকরিয়ার পৌরশহর অংশে পৃথক দুর্ঘটনায় শিশুসহ আহত হয়েছে চারজন। এরপরও সরকারি নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনের টনক নড়েনি।

নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, মহাসড়কে যানজট ও দুর্ঘটনা রোধকল্পে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা, মাহিন্দ্র, সিএনজি, নসিমন, করিমনসহ তিন চাকার গাড়িগুলো চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। এই নিষেধাজ্ঞা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার হলেও চকরিয়ার ওইসব গাড়ির চালকরা মানছে না সরকারি নির্দেশনা।

সরজমিন ঘুরে দেখা গেছে, চকরিয়া পৌরশহরস্থ মহাসড়কের বক্স রোডেই চালকদের ইচ্ছেমত পার্কিং ও যাত্রী পরিবহন করছে সিএনজি অটোরিক্সা, ব্যাটারি চালিত রিক্সা, মাহিন্দ্র, ম্যাজিকসহ তিন চাকার বিভিন্ন গাড়ি। এতে যানজট সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি বক্স রোড ও পুরাতন বাস স্টেশনে পৃথক ২টি সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু রহিমাসহ চারজন আহত হয়। সিএনজি অটোরিক্সা উল্টে ও মাহিন্দ্রের সাথে পেডল চালিত রিক্সার ধাক্কায় পৃথক দুর্ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ রয়েছে সিএনজি অটোরিক্সা ও মাহিন্দ্র গাড়ি প্রতি মাসিক ১৫০ টাকা করে ট্রাফিক পুলিশ চাঁদা নেয়ায় ওইসব গাড়ির চালকরা বেপরোয়া ড্রাইভিং ও যত্রতত্র পার্কিং করে। পৌরশহরেই বিভিন্নমূখী অন্তত ৪’শ মাহিন্দ্র ও সিএনজি রয়েছে। এসব গাড়ির পার্কিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট স্থান না থাকায় ট্রাফিক পুলিশকে চাঁদা দিয়ে চালকরা নিজেদের ইচ্ছেমত মহাসড়কের উপর পার্কিংসহ যাত্রী উঠানামা করেন হরহামেশা। চাঁদা আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করে ট্রাফিক পুলিশের দাবি জনবল সল্পতার কারণে পৌরশহরস্থ দুই কিলোমিটার দীর্ঘ মহাসড়কের সব জায়গায় দেখভাল করা সম্ভব হয় না। এরপরও দৃষ্টিকটু অবস্থা দেখলেই সংশ্লিষ্ট চালকের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে। হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির আইসি শিমুল কান্তি চৌধুরী বলেন, মহাসড়কে অটোরিক্সা চলাচলে নিষেধাজ্ঞার খবর সংবাদপত্রে পড়েছি। বৃহস্পতিবার হারবাং ও বরইতলী এলাকায় নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা গাড়িগুলোর চালকদের সতর্ক করেছি। আগামী রবিবার থেকে উর্ধ্বতন স্যারদের অনুমতি সাপেক্ষে অভিযান চালানো হবে। কক্সবাজার সদর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোঃ মাসুদ আলম বলেন, নিষেধাজ্ঞার লিখিত অর্ডার পাওয়ার সাথে সাথেই মহাসড়কের চকরিয়ার ৩৯ কিলোমিটার অংশে অভিযান শুরু হবে। এমনিতেই চকরিয়ার শহর কেন্দ্রিক মহাসড়কের উপর কোন ছোট গাড়ি পার্কিং ও যাত্রী উঠানামা বন্ধে থানা ও ফাঁড়ি পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ এবং ট্রাফিক পুলিশকে নির্দেশনা দেয়া আছে।

%d bloggers like this: