Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / চনা প্রতিকেজি ৮৫ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি : ঈদগাঁওতে রমজানের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চড়াদাম

চনা প্রতিকেজি ৮৫ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি : ঈদগাঁওতে রমজানের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চড়াদাম

Bazar - 11এম আবু হেনা সাগর; ঈদগাঁও :

আহলান সাহলান মাহে রমজান। এ রমজানের পূর্ব থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের চড়াদাম নিয়ে বিপাকে পড়েছে গ্রামাঞ্চলের সাধারণ লোকজন। এছাড়া প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও রমজানের আগেভাগেই এসব জিনিসপত্রের দাম বাড়তে শুরু করেছে। খেটে খাওয়া সাধারণ লোকজনের নাগালের বাইরে বললেই চলে জিনিসপত্র। দৈনিক দেড়শ থেকে আড়াইশ টাকা আয় করে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করা দরিদ্র পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়।

৬ জুন জেলা সদরের ঐতিহ্যবাহী ঈদগাঁওয়ের তরকারী ও মুদি দোকান ঘুরে জানা যায়, রমজানের অন্যতম অনুসঙ্গ চনা প্রতিকেজি ৮৫ – ১০০ টাকা, চনাবুট ৫০ – ৬০ টাকা, চিনি ৬০ টাকা, খোলা তেল ৭৫ – ৮০ টাকা, সয়াবিন তেল ১০০ – ১১০ টাকা, মসুর ডাল ১৪৫ – ১৫০ টাকা, চনার ডাল ৪৫ – ৫০ টাকা, পেয়াজ ২০ – ২২ টাকা, রসুন ২৩০ – ২৪০ টাকা, আদা ৬০ – ৬৫ টাকা, শুকনা মরিচ ১৯০ – ২১০ টাকা। তন্মধ্যে কাঁচা তরকারি বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশী আলু ৩৫ – ৪০ টাকা, নাটোর আলো ২৮ – ৩০, ললিতা আলু ২০ – ২৫ টাকা, টমেটো ৩০ – ৩৫ টাকা, ভেন্ডি ৩০ – ৩২ টাকা, কাঁচা মরিচ ৮০, করলা ৩৫ – ৪০, ফল ২৮ – ৩০, বেগুন ২০ – ২৫, বরবটি ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়াও মাছ বাজারে মাছের দাম একেক ধরণের বিক্রি করছে বিক্রেতারা। তবে রমজানের এসব নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য প্রায় তিন সপ্তাহ পূর্ব থেকেই ব্যবসায়ীদের মনগড়া দাম বাড়ানো নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে। বাজারের পশ্চিম গলি খ্যাত তরকারি বাজার ঘুরে আরো জানা যায়, নানা তরকারি ব্যবসায়ীরা একেক ধরণের তরকারী ব্যবসা করে যাচ্ছে। ৫ থেকে ৩ হাত ব্যবধানে ব্যবসায়ীরা তরকারি ব্যবসা ৮ থেকে ১০ টাকা কম বা বেশি বিক্রি করতে দেখা যায়। পুরো বাজারে তরকারি ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন দামে ব্যবসা করে যাচ্ছে। এ নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে গ্রামগঞ্জ থেকে আসা অসহায় ও হতবঞ্চিত ক্রেতাগণ। তবে চলতি মৌসুমে দ্রব্যমূল্যের এ অগ্নি অবস্থা থাকলে সামনে রমজানের মৌসুমে কি অবস্থা হবে সেটি এখনো জানা যাচ্ছে না বলে বাজারে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান।

হুমায়ুন নামের এক মুদি দোকান ব্যবসায়ীর মতে, প্রতিবারের ন্যায় এবারও রমজানের পূর্ব থেকেই দ্রব্যমূল্যের চড়াদাম নিয়ে আমরাও বিপাকে পড়েছি। অপরদিকে আরেক তরকারি ব্যবসায়ীর মতে, নানা জাতের তরকারী উত্পাদনকারীরা যদি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চড়াদাম নেয়, তাহলে আমরাও ক্রেতাদের কাছ থেকে সে পরিমাণ দাম নিচ্ছি। পোকখালী, গোমাতলী, ইসলামপুর ও চৌফলদন্ডীর কয়েক বয়োবৃদ্ধ জানায়, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে রমজান মৌসুমকে কাজে লাগিয়ে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। অবিলম্বে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এসব সিন্ডিকেট ভেঙ্গে ন্যায্যমূল্যে মালামাল বিকিকিনি করার জোর দাবী তাদের।

Leave a Reply