শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:৪৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বিএনপির জন্য অপেক্ষা করবে নির্বাচন কমিশন রামুতে শত বৎসরের চলাচলের রাস্তা দখল মুক্ত করল উপজেলা প্রশাসন মহেশখালীর খাইরুল আমিন হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশীপ প্রতিযোগিতায় লামার মডার্ণ স্কুলের অভাবনীয় অর্জন ভ্রমণে ইনানী সমুদ্রসৈকত চমেকে ঈদগাঁওর সংবাদকর্মী পুত্র জামির সফল অপারেশন সম্পন্ন কক্সবাজারে আইনজীবীদের আদালত বর্জন কর্মসূচী স্থগিত টনসিলের ব্যথা দূর করার উপায় প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করতে চট্টগ্রামে যুবলীগের প্রস্তুতি সভা ২৬ শর্তে বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দীতে গণসমাবেশের অনুমতি এডঃ হারুন অর রশিদ’র পিতার মৃত্যুতে কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির শোক প্রকাশ

ডিসিরা পাচ্ছেন বিচারিক ক্ষমতা

DCইয়াবা বা ফেনসিডিলসহ ‘এমফিটামিন’ জাতীয় মাদকদ্রব্যের দৌরাত্ম্য রোধে বিচারিক ক্ষমতা পাচ্ছেন জেলা প্রশাসকরা। মোবাইল কোর্ট আইনের সংশোধনীতে এ ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট আইন বাস্তবায়নে নীতিমালা করারও উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।

মোবাইল কোর্ট (সংশোধন) আইন -২০১৫ জাতীয় সংসদের পাস হওয়ার পর আইন কার্যকরে নীতিমালা করা হবে।

২২ জুন মন্ত্রিসভায় নীতিগত ও ভোটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া মোবাইল কোর্ট (সংশোধন) আইন-২০১৫ আরো আপডেট করে এর আওতা বৃদ্ধি এবং মাদক সেবীদের প্রতিরোধে বিচারিক ক্ষমতাও দেওয়া হবে জেলা প্রশাসকদের।

২৮ জুলাইয়ের তিনদিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনে ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের কিছু ধারা মোবাইল কোর্ট আইনে সংযোজন করার প্রস্তাব করেন জেলা প্রশাসকরা। একইসঙ্গে ইয়াবা বা ফেনসিডিলসহ ‘এমফিটামিন’ জাতীয় মাদকদ্রব্যের দৌরাত্ম্য কমাতে ১০০ গ্রাম পর্যন্ত বিচার করার ক্ষমতা চানও।

জেলা প্রশাসকরা সামাজিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ১৮৬০ সালের ৯০ ধারার আইনে অপরাধের দণ্ড ২০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করা এবং ২০০৯ সালের আইন বাস্তবায়নে বাধ্যবাধকতা থাকায় নীতিমালা করার প্রস্তাব করেন।

জেলা প্রশাসকদের এসব প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে জানতে চাওয়া হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জান খান কামাল বলেন, কিছু দিনের মধ্যেই মোবাইল কোর্ট আইন সংশোধন হচ্ছে। এ আইনের আরো কলেবর বৃদ্ধি ও পরিমার্জন করা হবে।

২২ জুন মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন পাওয়া মোবাইল কোর্ট (সংশোধন) আইন-২০১৫ খসড়ায় বলা হয়েছে- অপরাধী দোষ স্বীকার করলে শাস্তি দেওয়া যাবে। আর দোষ স্বীকার না করলেও সাক্ষ্যগ্রহণ, পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে শাস্তি দেওয়া যাবে। বিদ্যমান আইনে মোবাইল কোর্টে বিচারযোগ্য অপরাধী দোষ স্বীকার না করলে শাস্তি দেওয়া যেতো না।

২০০৯ সালে মোবাইল কোর্ট আইনে ভেজালবিরোধী অভিযান, ইভটিজিং প্রতিরোধ, দুর্নীতিমুক্ত পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠান, সুষ্ঠু নির্বাচন ও জানমাল রক্ষায় দ্রুত বিচার মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। ২০১০-২০১৪ পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ লাখ মামলা নিষ্পত্তি হয়। ইভটিজিং প্রতিরোধেও গুরুত্ব পায় এ আইন।

তবে এই আইনে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকায় এবং নীতিমালা না হওয়ায় আইন বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে মাদক সেবীদের দৌরাত্ম্য কমাতে এবং ক্ষুদ্র মাদক ব্যবসায়ীদের প্রতিরোধে আইনে বেশ কিছু সংযোজনের প্রয়োজন পড়ে।-বাংলাদেশপ্রেসডটকম,ডেস্ক।

https://www.facebook.com/coxviewnews

Design BY Hostitbd.Com