Home / প্রচ্ছদ / ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুলের জামিন দিয়েছেন আদালত

ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুলের জামিন দিয়েছেন আদালত

Rahulভারতের রাজধানী নয়দিল্লীর পাতিয়ালা হাউস কোর্ট শনিবার কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী এবং সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধীকে ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় জামিন দিয়েছে।
এছাড়া এ মামলায় আদালত শনিবার আরও তিন অভিযুক্তকেও জামিন দিয়েছে।
সোনিয়া-রাহুল আদালতে হাজির হওয়ার অল্পক্ষণের মধ্যেই পাতিয়ালা হাউস কোর্ট তাদের ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন মঞ্জুর করে। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ২০১৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি।
বিজেপি নেতা সুব্রাহ্মণ্যম স্বামীর জামিনের তীব্র বিরোধিতা এবং শর্ত আরোপের আর্জি খারিজ করে দিয়ে দুজনের নি:শর্ত জামিন মঞ্জুর করে আদালত।
সোনিয়া গান্ধীর জামিনদার হন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং এবং রাহুলের জামিনদার হন প্রিয়াঙ্কা ভদ্র।
ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্রের জমি বেআইনি ভাবে কব্জা করে তাতে প্রমোটিং করার অভিযোগ তুলে সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী-সহ মোট ছয়’জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন সুব্রাহ্মণ্যম স্বামী। সেই মামলাতেই সোনিয়া-রাহুলকে সমন পাঠায় আদালত। স্বামী নিজেই আদালতে শনিবার সওয়াল করেন।
ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় এ দিন দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে হাজিরা দিতে বেলা পৌনে তিনটের মধ্যে পৌঁছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী। হাই প্রোফাইল শুনানিকে কেন্দ্র করে পাটিয়ালা হাউজ কোর্টে শনিবার সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয় আদালত চত্বর। দেশের প্রধান বিরোধী দলের দুই শীর্ষ পদাধিকারীর হাজিরাকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় আদালতে।
৭০০ নিরাপত্তা রক্ষী মোতায়েন করা হয় আদালত চত্বরকে ঘিরে। সুরক্ষা বলয়ে সমন্বয়ের জন্য আদালতে খোলা হয় কন্ট্রোল রুম।
সোনিয়া-রাহুল আদালতে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে পাতিয়ালা হাউস কোর্টের একটি বাদে বাকি সবক’টি গেট বন্ধ করে দেয়া হয়। আদালতে তাদের হাজিরাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেসের গোটা নেতৃত্বই এ দিন হাজির হয় আদালতে।
কংগ্রেস সভানেত্রী এবং সহ-সভাপতির হয়ে আদালতে এ দিন সওয়াল করেন দলেরই আইনজীবী নেতা অভিষেক মনু সিংভি। সঙ্গে ছিলেন আর এক কংগ্রেস নেতা তথা সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কপিল সিবল ও মুকুল ওয়াসনিক।
আদালত থেকে বেরিয়ে প্রথমেই সোনিয়া-রাহুল ২৪ আকবর রোডে দলীয় সদর দফতরের দিকে রওনা দেন। কংগ্রেসের পক্ষে প্রথম থেকেই দাবি করা হচ্ছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই তাদের এই মামলায় জড়ানো হচ্ছে। তবে বিজেপির পক্ষ থেকে এ মামলার সঙ্গে সরকারের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়।
এই মামলায় সোনিয়া ও রাহুলকে জড়ানোর প্রতিবাদে কংগ্রেসকর্মীরা আজ দেশজুড়ে বিক্ষোভে সামিল হন। বিজেপিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগে নরেন্দ্র মোদির কুশপুত্তলিকাও পোড়ান তারা।

সূত্র: বাংলাদেশবাণীডটকম,ডেস্ক।

%d bloggers like this: