Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / জীবন, প্রকৃতি ও পরিবেশ / পরিবেশ বিধ্বংসী তামাক কৃষি ব্যবস্থার অন্তিম যাত্রা

পরিবেশ বিধ্বংসী তামাক কৃষি ব্যবস্থার অন্তিম যাত্রা

Tamak - 4

এম আবু হেনা সাগর; ঈদগাঁও :

কক্সবাজা জেলার ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারীতে ফসলী জমিতে পরিবেশ বিধ্বংসী ক্ষতিকর তামাক কৃষি ব্যবস্থার অন্তিম যাত্রায় পরিণত হয়ে পড়ছে। কৃষি সম্ভাবনাময় এসব এলাকায় তামাক কোম্পানী গুলোর আগ্রাসী অপতত্পরতায় কৃষিদ্রব্য ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে ঠাই মিলছে। যার কারনে, সরকারের কৃষি উন্নয়নের কোন উদ্যোগই সফলতা খুঁজে পাচ্ছেনা। ফলে-ঈদগাঁও-ঈদগড়-বাইশারী সহ পাশ্ববর্তী এলাকায় রবি শষ্যের ফলন প্রতিবছরই মুখথুবড়ে পড়ায় শাক সবজির অগ্নিমুল্য হচ্ছে প্রায়শঃ। এমনকি এসব গ্রামাঞ্চলে হরেক রকমের টোব্যাকো কোম্পানীর তামাক চাষ আগাম অর্থ প্রদানের নামে দাদন খাটিয়ে স্থানীয় চাষীদের নানা লোভ-লালসা দিয়ে ক্ষতিকারক তামাক চাষের বিস্তার ঘটাচ্ছে বলে সচেতন লোকজন সূত্রে প্রকাশ।

প্রাপ্ত তথ্যে মতে, দীর্ঘ বছর ধরে কক্সবাজার সদর উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের গজালিয়া ঢালারমুখ, পূর্ব গজালিয়া সহ নিকটবর্তী খালের পূর্ব ও দক্ষিন পাশ সহ ক্যাম্পের চর এলাকায় প্রায় কয়েক ধুন এলাকা জুড়ে ফসলি জমিতে ধান, মরিচ, বেগুন সহ মৌসুমি শাক-সবজি চাষের পরিবর্তে পরিবেশের ক্ষতিকারক তামাক চাষে ঝুঁকে পড়ছে কৃষকরা।

অপরদিকে, রামু উপজেলার ঈদগড় আর বাইশারী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকাসহ পাহাড়ি এলাকা জুড়ে বহু ফসলী জমি গ্রাস করে তামাক চাষে মাতিয়ে তুলছে বলে জানা যায়।

অপরদিকে, তামাক চাষিরা স্থানীয় হলেও বিভিন্ন তামাক কোম্পানীর প্রতিনিধিরা নিরবে-নিবৃতে প্রশাসনের চোখকে ফাকি দিয়ে যত্রতত্র সময় প্রত্যন্ত গ্রামগঞ্জের অসহায় চাষিদেরকে নানা কৌশলে লোভ দেখিয়ে উত্সাহিত করে যাচ্ছে ধান সহ শাকসবজি চাষের পরিবর্তে তামাক চাষে। এই তামাক চাষের ক্ষতিকর ঘ্রাণের ফলে পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত চাষাবাদকৃত তামাকের পাশ্ববর্তী লোকজনের রোগ ব্যাধি সৃষ্টি হওয়ার আশংকা প্রকাশ করছেন অনেকে।

বেশ কয়েকজন সচেতন ব্যক্তির মতে, আমাদের পার্শ্ববর্তী এলাকা গজালিয়ায় তামাক চাষ করছে দীর্ঘদিন ধরে চাষিরা। যে ফসলী জমি গুলোতে পূর্বে ধান, মরিচ, বেগুন সহ নানা শাকসবজি উত্পাদন করা হত, তামাক চাষের কারণে এখন সে তার আর চোখে পড়েনা।

Leave a Reply