Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / ভ্রমণ ও পর্যটন / পর্যটকের পদভারে মুখরিত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

পর্যটকের পদভারে মুখরিত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

এম আবুহেনা সাগর; ঈদগাঁও :

প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে এবছরও পর্যটকের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের শহর কক্সবাজার। প্রচন্ড ভিড় যেন চোখে পড়ার মত। অন্যান্য বছরের তুলনায় তার ব্যতিক্রম হয়নি। স্কুল, মাদ্রাসায় বার্ষিক চুড়ান্ত পরীক্ষা শেষে বন্ধ থাকার সুবাদে কেউবা যান পরিবার নিয়ে ঘুরে বেড়াতে, কেউ কেউ বন্ধু-বান্ধব, স্বজনদের নিয়ে বিদায়ী উৎসব পালন করতে। আবার হরেক রকম সংস্থা বা সংগঠন, স্কুল মাদ্রাসার পক্ষে শিক্ষা সফরে আসেন পর্যটননগরী কক্সবাজারে। সমুদ্র সৈকত ঘুরতে আসার পাশাপাশি সেন্টমার্টিন, টেকনাফ, ইনানী, হিমছড়ি, মহেশখালীসহ সাফারী পার্ক পয়েন্টেও পর্যটকের বিচরণ প্রায়শ লক্ষণীয়।

ক’দিন ধরে সমুদ্র সৈকতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নারী-পুরুষ পর্যটকে ভরে গেছে। সৈকতের আশ পাশে মার্কেটগুলোতে বেচাবিক্রি বেড়েই চলছে। তবে কিছু কিছু জিনিসপত্রের দাম চড়া বলেও জানালেন ক’জন পর্যটক। সেই সাথে হোটেল-মোটেলসহ প্রায় কটেজ কক্ষ যেন খালি নেই। শীতের আমেজ সেই সাথে স্বচ্ছ নীল জলরাশির বিশাল সমুদ্র সৈকত। প্রকৃতি আর সময়ের এতো আয়োজন একসঙ্গে উপভোগের সুযোগকে কে হাতছাড়া করতে চায়। তাই সবাই ছুটে আসেন সৈকত শহরে। সকাল বিকেলে দলে দলে সাগর তীরে নামছেন পর্যটকরা। কেউ পরিবার-পরিজন নিয়ে আবার কেউ প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে। সব পথ যেন মিলেছে সাগর তীরে। পর্যটকরা যাতে হয়রানির শিকার না হয় সে জন্য সতর্ক অবস্থায়ও রয়েছেন। পুরনো বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে বরণ করতে নব আঙ্গিকে সাজছে হোটেল কিংবা রিসোর্টগুলো।

ঢাকা থেকে আসা দুই পর্যটকের সাথে কথা হলে তারা কক্সভিউ ডট কম’কে জানান, এইবার সহ দ্বিতীয়বার আসা কক্সবাজারে। ভাল পরিবেশ। পরীক্ষা শেষ বেড়াতে আসলাম সমুদ্র সৈকতে। এলাকাতে গেলেও মনে থাকবে সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ আর চিক চিক করা বালির কথা।

কুমিল্লা থেকে পরিবারের সাথে বেড়াতে আসা এক ছোট্ট সোনামনির সাথে কথা হলে আদু আদু কন্ঠে জানায়, পিতা মাতার সাথে প্রথমবারে ঘুরতে এসেছি কক্সবাজার। খুব মজা লাগলো।

ঢাকার এক সংগঠনের পক্ষে আসা কয়েকজন তরুণের সাথে কথা হলে তারা জানায়, আমরা এবার শীতকালে বার্ষিক বনভোজনে আসছি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে। সৈকত এলাকার পরিবেশ অত্যান্ত ভাল লাগলো। মন ছুটেনা যে এখান থেকে যেতে। ঝাউবিথী আর সৈকতের নান্দনিক দৃশ্য যেন মনকে ব্যাকুল করে, এমন অনুভুতি ব্যক্ত করেন তারা।

Leave a Reply

%d bloggers like this: