Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / নির্বাচন সংক্রান্ত / পেকুয়ায় সাত ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচনের হাওয়া দেখা দিয়েছে- আওয়ামীলীগের হেভিয়েট প্রার্থীদের বিএনপি’র দূর্গ ভাংগার রণ প্রস্তুতি

পেকুয়ায় সাত ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচনের হাওয়া দেখা দিয়েছে- আওয়ামীলীগের হেভিয়েট প্রার্থীদের বিএনপি’র দূর্গ ভাংগার রণ প্রস্তুতি

Election - 8নিজস্ব প্রতিনিধি; পেকুয়া :

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ইউপি নির্বাচনের আগাম হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এনিয়ে সর্বত্র বিরাজ করছে ইউপি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড়। চলছে নানা হিসেব নিকেষ আর জল্পনা কল্পনা। দলীয় প্রতীকে এ নির্বাচন অনুষ্টিতের ঘোষণায় দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ ও বিএনপি’র নেতাকর্মীরা নির্বাচনটিকে মর্যাদার লড়াই হিসাবে দেখছেন। সেই সাথে বর্তমান সংসদের প্রধান বিরোধীদল হিসাবে পরিচিত নয় বছরের দেশ পরিচালনাকারী রাজনৈতিক দল হিসাবে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনা প্রধান হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ আর তার স্ত্রী বর্তমান সংসদের বিরোধীদলীয় নেত্রী রওশন এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি এবং অন্যান্য দলগুলোর তৃণমূল পর্যায়েও চলছে চুলচেড়া বিশ্লেষণ সমীকরণ। ইতিমধ্যে সরকারী দল আ’লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা দলীয় মনোয়ন নেয়ার জন্য দৌঁড়ঝাফ জোর লবিং তদবিরে ব্যস্ত সময় কাটাতে শুরু করেছেন। সরকারে থাকার সুযোগ সুবিধা নিতে আওয়ামীলীগের হয়ে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও বিভিন্ন মামলার আসামী হিসাবে এলাকায় পরিচিত এমন কিছু দাগী লোকও এ দলটির মনোনয়ন ভাগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন বলে দলের নেতাকর্মীরা তাদের মন্তব্যে সাংবাদিকদের জানান। তবে এ দলের শীর্ষ নেতারা জানান; কোন অবস্থাতেই কোন ধরনের খারাপ লোকদের এবার দলের মনোনয়ন দেয়া হবে না।

এলাকাবাসী ধারনা করছেন, উপজেলার অধিকাংশ ইউপি’তে বিএনপি-জামায়াত সমর্থক জনপ্রতিনিধিদের আধিক্য থাকলেও আগামী নির্বাচনে পেকুয়া উপজেলার ৭ ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের প্রার্থীদের ভাল অবস্থান থাকবে। এ দলটিতে অনেক জনপ্রিয় প্রার্থী রয়েছেন যাদেরকে বিগত সময়ের নির্বাচনগুলোয় কায়দা করে মনোনয়ন বঞ্চিত রাখা হয়। এমন কী অনেককে প্রতিপক্ষের সাথে হাত মিলিয়ে ষড়যন্ত্র চক্রান্তের মাধ্যমে জোর করে হারিয়ে দেয়া হয়েছিল। এবার তাদের বিজয়ী হয়ে আসার যথেষ্ট সুযোগ এসেছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

তাদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে মাঠে ময়দানে দলের ও সমাজের হয়ে সরকারের উন্নয়ন ও জনহিতকর কাজের সফল বাস্তবায়নের পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্র চক্রান্ত মিথ্যাচার নির্ভর অপরাজনীতি মোকাবেলায় স্থানীয় প্রশাসন ও দলের নেতাকর্মীদের পাশে অবস্থানে ছিলেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। পেকুয়া উপজেলার ৭(সাত) ইউনিয়নের মধ্যে আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগের এ রকম ৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ী হয়ে আসতে পারেন বলে আশা করছেন মানুষ।

২০১১ সালের ইউপি নির্বাচনে পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া ও রাজাখালী ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের প্রার্থী এবং পেকুয়া সদর, শিলখালী, বারবাকিয়া, টৈটং-এ বিএনপি’র প্রার্থী, মগনামায় জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এবার কিন্তু পেকুয়া উপজেলার ৭ ইউনিয়নের মধ্যে ৬ ইউনিয়নেই আওয়ামীলীগের যোগ্য প্রার্থীদের বিজয় লাভের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন সরকারী, বেসরকারী সংস্থার দেয়া তথ্য ও এলাকায় জরিপ চালিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। ইতোমধ্যে সংস্থ্যাগুলো আসন্ন ইউপি নির্বাচনে পেকুয়ায় জনপ্রিয় সম্ভাব্য চেয়ারম্যান মেম্বার প্রার্থীদের তালিকাও সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এসব তালিকায় পেকুয়া সদর ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতা ও চকরিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম, উজানটিয়া ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সভাপতি, নবগঠিত উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী সদস্য ও বর্তমান চেয়ারম্যান এটিএম শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, রাজাখালী ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বর্তমান চেয়ারম্যান এম. নজরুল ইসলাম সিকদার বাবুল বিএ, শিলখালী ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক ওয়াহিদুর রহমান ওয়ারেচী, টৈটং ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান শহীদুল্লাহ বি.এ, বারবাকিয়া ইউনিয়নে সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জেলা যুবলীগ নেতা জি.এম আবুল কাশেমের আ’লীগ দলীয় চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন দলের তৃনমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী আর এলাকার সাধারণ মানুষ।

সবাই তাদেরকেই হেভিয়েট প্রার্থী হিসাবে ধরে নিচ্ছেন। এরা আগামী নির্বাচনে এলাকার বিএনপি’র দূর্গে আঘাত হেনে বিজয়ী হয়ে আসতে পারদর্শীতা ও সক্ষম বলে মতামত পাওয়া গেছে।

তাদের মধ্যে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম ইতোপূর্বে দুইবার নির্বাচন করে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন। এ ইউনিয়নে ওই এসময় এ দলটির একাধিক প্রার্থী থাকায় তার পক্ষে বিজয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। কিন্তু ওই দুইবার নির্বাচনে সর্বমোট ভোটে নিজদলের অন্যান্য প্রার্থীদের চেয়ে সাংবাদিক জহিরুল ইসলামই সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছিলেন।

গত বছর পেকুয়া সদরে কয়েকবার ভয়াবহ বন্যা হয়েছে। ওই বন্যার সময় সাংবাদিক জহিরুল ইসলামই একমাত্র ব্যক্তি যিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ কেটে দিয়ে বন্যার পানি বের করে এলাকাকে প্লাবন মুক্ত করেছেন। এ ছাড়া বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়া বেড়িবাঁধের প্রায় ২৩টির মতো ভাঙন তিনি রাতদিন স্বয়ং নিজে উপস্থিত থেকে পুনঃনির্মাণ করে নিয়েছেন। তিনি বিভিন্ন সংস্থাকে নিয়ে গিয়ে নিজ হাতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গরীব লোকজনদের মধ্যে প্রায় ১ কোটি টাকা নগদ অর্থ সহায়তা প্রাপ্তি পাইয়ে দিয়েছেন। এলাকায় প্রচার আছে এমনিতেই তিনি প্রতিনিয়ত এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের চেষ্টায় মরিয়া থাকেন। তার বিরুদ্ধে এলাকায় কোন ধরনের অভিযোগ নেই। সবমিলিয়ে তিনিই এ ইউনিয়নে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছেন।

উজানটিয়া ইউনিয়নে বর্তমান সফল চেয়ারম্যান এম. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী গত বছরের বন্যার সময় তার এলাকায় প্রচুর কাজ করেছেন। সেই সাথে নিজদল আ’লীগ সরকারের উন্নয়ন রোডম্যাপ এগিয়ে নেয়ার পাশাপাশি সুষম বন্টন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার গ্রাম পরিষদ বাস্তবায়নের জনশ্রুতি পাওয়া গেছে। রাজাখালী ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা এম. নজরুল ইসলাম সিকদার বাবুল বিএ তার এলাকায় চিহ্নিত অবৈধ অস্ত্রধারী, সন্ত্রাসী, চোর, ডাকাত, সুবিধাবাদী, বর্ণচোর ও অনুপ্রবেশকারী দলছুটদের মুখোশ খুলে দেয়া ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে ছিলেন সোচ্চার। সেই সাথে তার সমর্থীত আ’লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার সুবাধে প্রধানমন্ত্রী ও সরকারের বিভিন্ন মস্ত্রনালয় দপ্তরে স্বয়ং নিজে চেষ্টা তদবির চালিয়ে গ্রামে ব্যাপক উন্নয়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখে রাজাখালীকে দেশের অন্যতম আদর্শগ্রামে পরিনতে আন্তরিক অবদান রাখছেন এবং সব সময় অপরাধ দমনে নিয়োজিত থাকার কথা এলাকার লোকমুখে প্রচারিত রয়েছে।

এলাকার অধিকাংশ মানূষের মতে তিনি কোন ভাল মানুষের ক্ষতি করেননি বলে সুনাম রয়েছে তার। শিলখালী ইউনিয়নের গতবারের হেভিওয়েট চেয়ারম্যান প্রার্থী আ’লীগ নেতা ওয়াহিদুর রহমান ওয়ারেচী গত নির্বাচনে সামান্য ভোটের ব্যবধানে হারলেও তিনি সেখানকার আর্থ-সামাজিক রাজনীতি নিয়ে লেগে থেকে কাজ করেছেন। এবারও তিনি শিলখালীতে জনপ্রিয় প্রার্থী।

টেটং ইউনিয়নে দুইবারের সাবেক চেয়ারম্যান শহীদুল্লাহ বি.এ বরাবরই জনপ্রিয় লোক। তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি চক্র তাকে আগামী নির্বাচন থেকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্য নানা ষড়যন্ত্র করে হয়রানি করছেন বলে প্রচার হওয়ায় এতে তার জনপ্রিয়তা আরও গেছে বেড়ে। এখানে ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম চৌধুরীর নামও চেয়ারম্যান প্রার্থীতায় প্রচার আছে। কিন্তু দু’বারের চেয়ারম্যান শহিদুল্লাহ বিএ ও জাহেদের মধ্যে দীর্ঘদিনের চরম মতবিরোধের জের ধরে গেলবারে এখানটায় বিএনপি প্রার্থী বিজয় লাভ করে। এ দু’আওয়ামীলীগ নেতার বিরোধ বর্তমানে প্রকট আকার ধারন করায় এবারো ক্ষমতাসীনদলীয় প্রার্থীর বিজয় হয়ে দাড়িয়েছে কঠিন পরীক্ষায়। তবে, অধিকাংশ স্থানীয়ের মতে এ ক্ষেত্রে টইটং ইউপি’র ৫-৫বারের নির্বাচিত মেম্বার ২০বছর যাবত ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী প্রবীন ব্যক্তিত্ব বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান-১ আ’লীগ নেতা কবির আহমদ এম.ইউপি’কে টইটং ইউপি’র চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা নিশ্চিতে এখানটায়ও এবার ক্ষমতাসীনদল আওয়ামীলীগের বিজয় কেতন উড়ানোর উজ্জ্বল সম্ভাবনার কথা বলছে মানুষ।

বারবাকিয়ায় বর্তমান চেয়ারম্যান তেমন কোন কাজ করতে না পারায় জেলা যুবলীগের সহসভাপতি ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি.এম কাশেমের চেয়ারম্যান প্রার্থীতায় আগ্রহী এলাকাটির সাধারণ মানুষ। মগনামায় আওয়ামীলীগ নেতা সাবেক চেয়ারম্যান খায়রুল এনামের দলীয় প্রার্থীতায় প্রচার থাকলেও সেখানে সাবেক আরেক চেয়ারম্যান আ’লীগ নেতা ইউনুচ চৌধুরীও রয়েছেন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের তালিকায়।

উপজেলার সবকটি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ বিএনপি’র প্রার্থীদের মধ্যে শক্ত লড়াইয়ের আভাষ দেখা দেওয়ায় উল্লেখিত হেভিয়েট প্রার্থীরা ছাড়াও পেকুয়া সদর ইউনিয়নে জেলা আওয়ামীলীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক প্রবীন রাজনৈতিক সাবেক ৩-৩বারের সদর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট এম কামাল হোসাইন, উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাক মোঃ আবুল কাশেম (আগেও দুইবার প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন) ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, উজানটিয়ায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এম. তোফাজ্জল করিম, টইটংয়ে প্রয়াত উপজেলা আ’লীগ সভাপতি আকম সাহাবউদ্দিন ফরায়েজীর সহধর্মিনী বা তার পুত্র মেহেদী হাসান ফরায়েজী, বারবাকিয়ায় প্রবাস ফেরত আ’লীগ নেতা মোহাম্মদ মুফিজুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বারেক, রাজখালী ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক প্রবীন সমাজহিতৈষী মাষ্টার নূর মোহাম্মদ, উপজেলা আ.লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাষ্টার আমজগীর চৌধুরী এমএ, মগনামায় উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতা আনোয়ারুল আজিম চৌধুরী বাবুল, সাবেক চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী যুবলীগ নেতা এম. মোজাম্মেল হক, শিলখালী ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা কাজীউল ইনসান, নুরুল আলম মেম্বার, প্রবীন ব্যক্তিত্ব সামশুল আলম কাদেরী, সাবেক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রিদুয়ান নাজেরী, আ’লীগ নেতা নেজাত মুহাম্মদ, বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক বেলাল উদ্দিন, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সালাহউদ্দিন মাহমুদ ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও কক্সবাজার জেলা ওজেএবি’র সহ-সভাপতি সৃষ্টি এবং সৃজনশীল সমাজ পথিকৃতি ব্যক্তিত্ব হিসাবে পরিচিত সাংবাদিক এস.এম. ছগির আহমদ আজগরীও আওয়ামীলীগের মনোয়ন প্রত্যাশায় লড়ছেন বলে জানা গেছে। শিলখালীতে ক্ষমতাসীনদলের হাফ ডজন প্রার্থীর মনোনয়ন যুদ্ধে ওয়াহিদুর রহমান ওয়ারেচীর পরে যার নাম বেশি আলোচনায় তিনি হলেন সাংবাদিক ছগির আজগরী। বর্তমান সরকারের শাসনামলে বিএনপি-জামায়াত জোটের নাশকতা ষড়যন্ত্র, মিথ্যাচারের রাজনীতি প্রতিরোধ, স্থানীয় বিএনপি সমর্থীত চেয়ারম্যানের ভোট ডাকাতি, সকল প্রকার অনিয়ম দূর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ ও লুটপাট দুঃশাসন বন্ধে দলের স্থানীয় নীতি নির্ধারকদের নিষ্ক্রিয়তা, অযোগ্যতা ও বিএনপি-জামাতের সাথে আঁতাত লিয়াজোর বিপরীতে গিয়ে আ’লীগ নেতা সাংবাদিক ছগির আজগরী তার ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে এলাকার উন্নয়ন অগ্রযাত্রা নিশ্চিতে পালন করেছেন অগ্রণী ভূমিকা। এছাড়া, ক্ষমতার সুবিধাভোগী ব্যর্থ ও স্বার্থ পরায়ন নেতৃত্বের অযোগ্যতা ধামা চাঁপায় নিজ উদ্যোগ অর্থ ব্যয়ে স্বাধীনতা মেলা. জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন, প্রধানমন্ত্রীর জন্ম দিবস, বিজয় দিবস ও অন্যান্য জাতীয় দিবস পালন আয়োজন ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্টানে তার অপরিসীম সাহসী অবদানের কথা এলাকাবাসীর মুখে মুখে আলোচিত। সেই সাথে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী এম.পি ও নীতি নির্ধারক পর্যায়ের নেতৃস্থানীয়দের সাথে তার ব্যক্তিগত নিবিড় যোগাযোগ, সখ্যতা, সম্মাননা শুভেচ্ছা জানানোর বিষয়টি সকল মহলে প্রশংসিত হওয়ায় শিলখালী ইউপি’র চেয়ারম্যান প্রার্থীতায় সাংবাদিক ছগির আজগরীর নামটিও বাদ পড়ছেনা। আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতারা জানান; পেকুয়া উপজেলার কোন ইউনিয়নে একক প্রার্থী এখনই নির্ধারণ করা যাচ্ছে না।

একক প্রার্থীর ব্যাপারে জেলা আওয়ামীলীগের হস্তক্ষেপ ছাড়া সম্ভব নয়। অন্যদিকে এ উপজেলায় কয়েকটি ইউনিয়নে বিএনপি প্রার্থী চুড়ান্ত রয়েছে বলে একটি অসমর্থিত সূত্রে জানা গেছে। এ সূত্র মতে পেকুয়া সদরে বর্তমান চেয়ারম্যান এম বাহাদুর শাহ, টৈটং এ বর্তমান চেয়ারম্যান জেড এম. মুসলেম উদ্দিন, শিলখালী ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান নুরুল হোসাইনকে দলীয় মনোনয়ন দেবেন বলে মনে হলেও শীলখালীতে বিএনপি নেতা আবু ছৈয়দ, রাজাখালীতে সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন সিকদার, সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন, বারবাকিয়ায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন ও তরুন রাজনীতিবীদ ও সমাজসেবক বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী হিসাবে এলাকায় ব্যাপক পরিচিত ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ রিদওয়ানুল হক জুন্নুন বিএনপি দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীতায় নাম প্রচার হচ্ছে, উজানটিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী মানিক বিএনপি’র মনোয়ন চাইছেন বলে জানা গেছে। মগনামা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান শহীদুল মোস্তফা জামায়াত সমর্থিত হওয়ায় সেখানে এখনও বিএনপি’র প্রার্থীর ব্যাপারে কোন আলোচনা শুনা যায়নি।

অন্যদিকে, প্রধান বিরোধীদল জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকেও উপজেলার ৭ইউনিয়নে চেয়ারম্যান, মেম্বার ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য প্রার্থী চূড়ান্তের বিষয় জানতে স্থানীয় কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য জেলা জাাপা সভাপতি আলহাজ মুহাম্মদ ইলিয়াছ এম.পি’র ব্যক্তিগত সচিব নাজেম উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, পেকুয়ার ইউপি নির্বাচনে সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে সভাপতি এসএম মাহাবুব ছিদ্দিকী, সিনিয়র সহ-সভাপতি সাংবাদিক এম.দিদারুল করিম ও সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক অবঃ বিডিআর মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের নাম উঠে এসেছে।

এছাড়া, অন্যান্য ইউনিয়নেও বেশকিছু সম্ভাব্য চেয়ারম্যান মেম্বার প্রার্থী নিজেদের সৎ, যোগ্য ও প্রভাবশালী প্রতিদ্বন্দ্বী পরিচয়ে জাপা’র প্রার্থী পরিচয়ে লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন। তবে, চূড়ান্ত তথ্য সংগ্রহে সবাইকে আরো কিছুদিন অপেক্ষায় থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।

%d bloggers like this: