শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ১০:০৮ পূর্বাহ্ন

ফলোআপ- মহেশখালীতে চিংড়িঘের দখল নিয়ে দু’পক্ষের গোলাগুলিতে যুবক নিহত

Gun (Lash)
দীপক শর্মা দীপু, কক্সভিউ :
কক্সবাজারের মহেশখালীতে দীর্ঘদিনের বিরোধপূর্ণ চিংড়ি ঘের দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে আহত ১৫ জনের মধ্যে একজন নিহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে আরো ২ জনের অবস্থা আশংকাজনক। গুলিতে মারাত্মক আহত মহিউদ্দিন (৩০) চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টায় মারা গেছে। সে উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের মাঝের পাড়া গ্রামের মৃত মঞ্জুর আহমদ এর পুত্র।

নিহতের চাচাত ভাই নেজাম উদ্দিন জানান, মহিউদ্দিন রাত সাড়ে ৮টায় চমেক হাসপাতালে মারা গেছে। সে বিরোধপূর্ণ চিংড়ি প্রজেক্ট এলাকার খালে মাছ ধরতে গিয়ে দু’পক্ষের গুলি বিনিময়ের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছিল।এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, হোয়ানকের কেরুনতলী গ্রামের সাবেক চেয়ারম্যান এনামুল করিম ও তার ভাই আকতার হামিদ গ্রুপের সাথে ফেরদৌস গ্রুপের চিংড়ি প্রকল্প দখল নিয়ে দীর্ঘদিনের শত্রুতা চলে আসছে। এর জের ধরে ইতিপূর্বেও প্রায় সময় দুই পক্ষের মধ্যে একাধিক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে আসছিল। এসব ঘটনায় অনেক লোক আহত ও বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছে। সর্বশেষ হেতালিয়া মৌজার কয়েকটি চিংড়ি প্রকল্পসহ স্লুইচ গেইটে ফেরদৌস পক্ষের দখলে ছিল বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার ফেরদৌস পক্ষকে বেদখল করতে আকতার হামিদ গ্রুপ হামলা চালালে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের শুরু হয়। এতে উভয়পক্ষের একাধিক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টায় আহতদের মধ্যে মহিউদ্দিন নামের এক যুবক নিহত চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

আহতদের মধ্যে ৫ জনের নাম জানা গেছে। এরা হচ্ছে- ফেরদৌস পক্ষের শাহাব উদ্দিন (২৬), নুরুল হক প্রকাশ চুরুপোয়া (৩৫), লোকমান (২২), নেজাম (২০) এবং অপর পক্ষের রাশেদ (২৭)। এদের মধ্যে শাহাব উদ্দিন ও নুরুল হকের অবস্থাও আশংকাজনক বলে প্রাপ্ত খবরে জানা যায়। আহতরা বিভিন্ন মামলার আসামী হওয়ায় হাসপাতালে না গিয়ে তারা বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসাধীন আছে বলে নাম প্রকাশ না করা একাধিক ব্যক্তি জানায়।

মহেশখালী হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ১৫ নভেম্বর দুপুর ১টার সময় গুলিবিদ্ধ ও রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয় কালালিয়াকাটা গ্রামের হোসেন আলীর পুত্র নুরুল হক (৪৫) ও মোহরাকাটা গ্রামের আব্দুল হামিদের পুত্র সাহাব উদ্দীন (২৮)কে নিয়ে আসা হয়। তাদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।আহতরা ফেরদৌস গ্রুপের বলে আহতদের স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা যায়। মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ বাবুল চন্দ্র বনিক জানান, বর্তমানে ঘটনাস্থলে পুলিশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে করেছে। তবে এখনো পর্যন্ত কোন পক্ষ মামলা দায়ের করেননি।

https://www.facebook.com/coxviewnews

Design BY Hostitbd.Com