রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৩:২৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বিএনপির জন্য অপেক্ষা করবে নির্বাচন কমিশন ঈদগাঁওয়ের সাংবাদিক সাগরের পিতা অসুস্থ : দোয়া কামনা  ঈদগাঁওতে দূর্গোৎসব উপলক্ষে ২৬টি মন্ডপে অনুদান ঈদগাঁও ঐক্য পরিবারের সভায় বিভিন্ন বিষয়ে উঠান বৈঠকের সিদ্ধান্ত ঈদগাঁওতে লোডশেডিংয়ের ত্রাহি অবস্থা তুমব্রু সীমান্তে চোরাই পথে আনা ২৭টি মহিষ জব্দ করেছে বিজিবি লামা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মশালা অনুষ্ঠিত আলীকদম প্রাণীসম্পদ বিভাগের মামলায় ইউনুচ মিয়ার জামিন, ইউএনও ও প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তাকে আদালতে তলব ঈদগাঁওতে বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক র্যালী ও আলোচনা সভা রামু বৌদ্ধ পল্লী ট্র্যাজেডির ১০ বছর আজ   লামায় বাঁশ ব্যবসায়ীকে নৃশংসভাবে খুন : আটক ২

বিশ্বের উল্লেখযোগ্য হিংস্র প্রাণী

http://coxview.com/wp-content/uploads/2022/01/animals-.jpg বিশ্বের উল্লেখযোগ্য হিংস্র প্রাণী

https://i0.wp.com/coxview.com/wp-content/uploads/2022/01/animals-.jpg?resize=1200%2C960

বিশ্বের উল্লেখযোগ্য হিংস্র প্রাণী

অনলাইন ডেস্ক :
পৃথিবীতে বাস করা সবচেয়ে হিংস্র প্রাণী কোনটি? এমন উত্তরে অস্বাভাবিক হলেও মানুষের নাম আসাটা বিচিত্র নয়। আদতেই মানুষের হিংস্রতা কখনও কখনও পশুকেও হার মানায়। তবে মানুষের কাছে এই দুনিয়ায় হিংস্র প্রাণীর তালিকাটা ছোট নয়। বিশ্বের এমনই কিছু হিংস্র প্রাণী নিয়ে পরিবর্তনের এবারের আয়োজন।

https://i0.wp.com/coxview.com/wp-content/uploads/2022/01/Animal-Cougar.jpg?resize=540%2C328

Cougar

১. ক্যুগার: উত্তর আমেরিকায় পর্বতারোহী, অভিযাত্রী এবং পাহাড়ি বাইকারদের কাছে আতঙ্কের এক নাম এই ক্যুগার। পাহাড়ে বসবাসকারী এই সিংহের আক্রমণে প্রতি বছরই ওই অঞ্চলের মানুষ প্রাণ হারায়। কিন্তু ক্যুগার এমন নি:শব্দে আক্রমণ করে যেন অকস্মাৎ নেমে আসে মৃত্যুদূত। কুগারগুলি খুব দ্রুত এবং কৌতুকপূর্ণ, তাদের শক্তি এবং সাহসও রয়েছে: তারা নিজের থেকে কয়েক গুণ ওজনের শিকারের শিকার করে। এগুলি সাধারণত মানুষের পক্ষে বিপজ্জনক নয়, কখনও কখনও তাদেরকে এমনকি পোষা প্রাণী হিসাবে রাখা হয়।

https://i0.wp.com/coxview.com/wp-content/uploads/2022/01/Animal-CASSOWARY.jpg?resize=540%2C392

Cassowary

২. ক্যাসোয়ারি: নিউ গিনি’র এমু জাতীয় এই বিশাল পাখি হিংস্র হলে আর রক্ষা নাই! অবশ্য মানুষের প্রাণ সংহার করার রেকর্ড নেই এই প্রাণীর। তবে অতীতে মানুষের উপর ভয়ানক আক্রমণ চালানোর অন্তত দেড়শ’টি নজির আছে। আর মানুষ খুনের যে রেকর্ড এই প্রাণীটির রয়েছে তাও ১৯২৬ সালের দিকে ঘটেছিল!

https://i0.wp.com/coxview.com/wp-content/uploads/2022/01/Animal-Jaguar.jpg?resize=540%2C381

Jaguar

৩. জাগুয়ার: জাগুয়ার্স আমেরিকাতে বসবাসকারী জেনাস প্যান্থারের বৃহত্তম এবং একমাত্র বিড়াল। বাঘ, সিংহ আর চিতার জাত ভাই জাগুয়ার ক্ষুধা ছাড়া কিন্তু প্রাণী হত্যা করে না। তবে আক্রান্ত হলে হিংস্রতায় ভয়ঙ্কর এই প্রাণী। মানুষের উপরও জাগুয়ারের আক্রমণের নজির রয়েছে। জাগুয়াররা ঘন, গ্রীষ্মমন্ডলীয়, আর্দ্র বনগুলিকে পছন্দ করে যা তাদের পর্যাপ্ত আশ্রয় দেয়, যদিও এগুলি বনাঞ্চল, কাঠের বিছানা, উপকূলীয় বন, জলাভূমি এবং ঘাটগুলি পাওয়া যায়। জাগুয়াররা দুর্দান্ত সাঁতারু এবং নদী, জলাশয়, পুকুর এবং জলাভূমির মতো জলের নিকটে বাস করে। এগুলি সাধারণত শুষ্ক অঞ্চলে হয় না।

৪. ডিংগো: ডিংগো, ক্যানিস লুপাস ডিংগো অস্ট্রেলিয়ান মহাদেশের অধিবাসী। তারা বন্য কুকুর, এবং খুব কম গৃহপালিত স্থান নিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, অস্ট্রেলিয় মহাদেশের সবচেয়ে বড় ভূতাত্ত্বিক শিকারী ডিংগো। সাধারণত, তাদের কোট রঙ বুকের উপর সাদা চিহ্ন দ্বারা লালচে বাদামী বেলে হয়, পায়ে, এবং থুতু। তাদের পশম ছোট, কিন্তু পুচ্ছ ঝোপঝাড় হয়। বার্কিং অসাধারণ, কিন্তু ডাইনিংয়ের মধ্যে সাধারণত ঝলকানি হয়। স্পষ্টতই, এই বন্য কুকুর উষ্ণতর জায়গায় নিন্দনীয় এবং ঠান্ডা এলাকায় দৈনন্দিন। অনেক অন্যান্য বনভোজনীর মতো, ডাইংও সামাজিক প্রাণী এবং তারা প্যাকগুলিও শিকার করতে চায়। মাথাব্যথা বছরে মাত্র একবার গরম হয়ে যায় এবং পুরুষরা মৎস্য ও নার্সিং সময়কালে বাচ্চাদের দেখাশোনা করতে সহায়তা করে।

৫. গণ্ডার: মেজাজ এদের সব সময়েই চড়া থাকে। বনের অন্য প্রাণীরা এদের এড়িয়ে চলায় প্রায় সময়েই নিজেরা যুদ্ধে জড়ায়। পোচার কিংবা কোনো বোকা মানুষ এদের কাছাকাছি চলে আসলে তখন কিন্তু তার রক্ষা নাই! বেয়াদপকে গুঁতিয়ে সোজা না করা পর্যন্ত শান্ত হয় না এরা। কিন্তু ততোক্ষণে প্রাণ বেরিয়ে পুরোই ঠাণ্ডা আক্রান্ত ব্যক্তি!

৬. কমোডো ড্রাগন: বিশাল এই সরীসৃপকে দেখলেই ভয় পাওয়া স্বাভাবিক। যদিও আক্রান্ত না হলে অনেকটাই শান্ত থাকে কমোডো দ্বীপে বাস করা এই প্রাণী। তবে মানুষকেও আক্রমণের নজির রয়েছে এদের। যদিও তা ২০১২ সালের আগে পর্যন্ত। কমোডো ন্যাশনাল পার্কে ১৯৭৪ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত মানুষকে আক্রমণের অন্তত ২৪ ঘটনা রয়েছে। এরমধ্যে ৫টি ঘটনা ছিল রীতিমতো প্রাণঘাতী।

https://i0.wp.com/coxview.com/wp-content/uploads/2022/01/Animal-Piranha.jpg?resize=540%2C303

Piranha

৭. পিরানহা: পিরানহা মাছ একটি ভয়ঙ্কর শিকারি মাছ। আফ্রিকার বিভিন্ন নদীতে এই পিরানহা মাছ পাওয়া যায়। সারা পৃথিবী জুড়েই এই পিরানহা মাছ নিয়ে নানান ধরনের কাহিনী ছড়িয়ে রয়েছে। দেখতে বাহারী হলেও দক্ষিণ আমেরিকার আমাজনের এই মাছ সাক্ষাৎ মৃত্যুদূত। দল বেঁধে এরা পানিতে বাস করে। ক্ষিপ্র গতি আর শক্ত চোয়াল ও ধারালো দাঁত দিয়ে এরা একজন মানুষকে ২ মিনিটের মধ্যে সাবাড় করতে সক্ষম। কোনো প্রাণী একবার এদের কবলে পড়লে দেহের সব মাংস হারিয়ে আসা ছাড়া তার রক্ষা নেই। কোনো কোনো দেশে অবশ্য এই মাছ বেশ জনপ্রিয়। এশিয়ার বেশ কিছু দেশ এমনকি বাংলাদেশের বাজারেও লুকিয়ে এই মাছ বিক্রির অভিযোগ আছে।

৮. এলিগেটর: পৃথিবী থেকে প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীরা হারিয়ে গেলেও এদের কোনো কোনো বংশধর এখনও রয়ে গেছে। যেমন এলিগেটর। কুমিরের ছোট আকারের এই জাত ভাই হিংস্রতায় সেরা। যুক্তরাষ্ট্রে এবং চীনে ভিন্ন জাতের এলিগেটর দেখতে পাওয়া যায়। সুযোগ পেলে মানুষকেও এরা আক্রমণ করে থাকে।

৯. ষাঁড়: ঘিলুর আকার কম বলেই হয়তো বুদ্ধিও কিছুটা কম, তবে অল্পতেই রেগে যাওয়ার বদগুণ ঠিকই আছে। বন্য ষাঁড় তো এমনিতেই ভয়ঙ্কর তবে গৃহপালিতগুলোও কম যায় না। মেজাজ খারাপ হওয়ায় গৃহস্থকে গুঁতিয়ে শুইয়ে দিয়েছে এমন নজির বহু আছে। মেজাজের মাত্রা বেশি হলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তো প্রাণেই মেরে ফেলে মানুষকে। তবে এই বদনাম গৃহপালিতের বেলায় কমই রয়েছে।

১০. লেপার্ড: পাহাড়ি এই চিতা দুনিয়ায় এখন বেশ দুর্লভ হলেও কোনো মানুষ এদের সামনে পড়তে চান না। ভারতেই দুই জাতের লেপার্ড রয়েছে যাদের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে শত শত মানুষ। ক্ষিপ্ততা, চতুরতা আর হিংস্রতায় এরা যে কোনো প্রাণীকেই পেছনে ফেলবে।

১১. ব্ল্যাক উইডো: আমেরিকার সবচেয়ে বিষাক্ত মাকড়শা’র মধ্যে অন্যতম এটি। এর কামড় একবার খেলে দ্বিতীয়বারের জন্য আর বেঁচে থাকার সৌভাগ্য হয় না কারও। গবেষণায় দেখা গেছে প্রতি বছর অন্তত ৬ জন বিষাক্ত মাকড়শার কামড়ে মৃত্যুবরণ করে।

১২. হাঙর: সাগরের ত্রাস এরা! কোনো প্রাণীই হাঙরকে ঘাটাতে সাহস পায় না। আর রক্তের গন্ধ পেলে এরা বলতে গেলে পাগল হয়ে যায়। রক্তের উৎসের সন্ধান করার পর সেই প্রাণীটিকে পেটে না ঢুকানো পর্যন্ত থামে না। পুরো বিশ্বেই সাগরে হাঙরের দ্বারা আক্রমণের ঘটনা শুনতে পাওয়া যায়। প্রাণহানিও ঘটে প্রচুর।

১৩. পিপড়া: অনেকেই হয়তো বলবেন, পিচ্চি এই প্রাণীর হিংস্রতা আর কতটুকু। কামড়ে লাল করা পর্যন্ত এর দৌড়! কিন্তু যারা এই পিপড়ার স্বরূপ জানেন একমাত্র তারাই বলতে পারবেন, কোথাও কোথাও এদের আক্রমণে গোটা গ্রাম পর্যন্ত উজাড় হয়ে গেছে। যেমন অস্ট্রেলিয়ায় বুলডগ নামের এক জাতের পিপড়া আছে যারা দলে দলে যে পথ দিয়ে যাবে, সেখানে যে প্রাণীই থাকুক কয়েক মিনিটের মধ্যে কঙ্কালে পরিণত হবে।

https://i0.wp.com/coxview.com/wp-content/uploads/2022/01/Animal-Jelly-Fish.jpg?resize=540%2C387

Jelly Fish

১৪. জেলিফিশ: জেলিফিশ এক ধরনের অমেরুদণ্ডী প্রাণী, পৃথিবীর সব মহাসাগরে দেখতে পাওয়া যায়। নামে ‘ফিশ’ হলেও এরা মাছ নয়। সাগর-মহাসাগরে থাকে বলে এদের আমরা মাছ বলি। সাগরের সুন্দর ও নিরীহ চেহারার এই প্রাণীকে যারা চেনেন তারা পানিতে এদের দেখামাত্র ডাঙ্গায় উঠে আসেন। কেননা এদের ছোঁয়া একবার যার শরীরে লাগে তার মৃত্যুযন্ত্রণার অভিজ্ঞতা পুরোপুরি হয়ে যায়। এর ঠিক ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে আক্রান্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুর স্বাদও নিতে হয়। আদতে সাগরের পানিতে জেলিফিশের ছোঁয়া একবার যার লাগে, তার আর ডাঙায় আসার সুযোগ হয়ে ওঠে না।

১৫. সিংহ: হিংস্রতায় আসলে এই প্রাণীর প্রতিদ্বন্দ্বী খুব কমই আছে। বাঘ গোত্রের এই প্রাণী সুস্বাদু মাংসের লোভে প্রায়ই মানুষকে আক্রমণ করে থাকে। আফ্রিকার দেশ তানজানিয়াতেই পর পর ৩টি প্রজন্ম অন্তত দেড় থেকে দু’হাজার স্বজন হারিয়েছে এদের কারণে। মোজাম্বিক থেকে যারা দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবেশের জন্য রাতে সীমান্ত পাড়ি দেন তাদের অনেকেই সিংহের পেটে যান।

https://www.facebook.com/coxviewnews

Design BY Hostitbd.Com