Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / বিবিধ / বিশ্বের ৫ দেশে কোনও বিমানবন্দর নেই!

বিশ্বের ৫ দেশে কোনও বিমানবন্দর নেই!

http://coxview.com/wp-content/uploads/2021/09/Ture-Helicopter-.jpg

অনলাইন ডেস্ক :
বিশ্বে এমন পাঁচটি দেশ আছে, যেখানে নেই কোনও বিমানবন্দর! এসব দেশে বিমানবন্দর না থাকলেও আছে হেলিপোর্ট৷ শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। ওই দেশগুলোতে বিমান ওঠানামার কোনও সুযোগ নেই। কারণ অবশ্যই সেই দেশগুলোর আয়তন।

http://coxview.com/wp-content/uploads/2021/09/Ture-Monaco-.jpg

মোনাকো (Monaco)

১) মোনাকো (Monaco): পশ্চিম ইউরোপের ছোট এই দেশটি ফ্রান্স এবং ইতালির মাঝে অবস্থিত। এটি বিশ্বের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ। এটির সীমানা কেবল ৬ কিলোমিটার। এদেশে ৪০ হাজার বসবাসকারীদের মধ্যে অনেকেই ধনী হলেও, এখানে একটিও বিমানবন্দর নেই। এখানে বিমানবন্দর না থাকলেও ফন্টভিলেতে একটি হেলিপোর্ট রয়েছে৷ বিমানে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা পার্শ্ববর্তী ফ্রান্সের নিস বিমানবন্দর। মূলত রেলই এখানকার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম ভরসা।

http://coxview.com/wp-content/uploads/2021/09/Ture-Andorra-.jpg

অ্যান্ডোরা (Andorra):

২) অ্যান্ডোরা (Andorra): আকারে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশগুলোর তালিকায় ১৬ নম্বরে রয়েছে অ্যান্ডোরার নাম। সবমিলিয়ে বাস ৮৫ হাজার মানুষের। তিনটি ব্যক্তিগত হেলিপ্যাড থাকলেও গোটা দেশে কোনও বিমানবন্দর নেই। জাতীয় হেলিপোর্ট নির্মাণের কাজ চলছিল, তবে তা বর্তমানে স্থগিত রয়েছে। নিকটবর্তী বিমানবন্দর ১২ কিলোমিটার দূরে স্পেনে অবস্থিত। তা সত্ত্বেও প্রতিবছর প্রচুর মানুষ আসেন এখানে।

http://coxview.com/wp-content/uploads/2021/09/Ture-Liechtenstein-.jpg

লিচেনস্টেইন (Liechtenstein)

৩) লিচেনস্টেইন (Liechtenstein): অস্ট্রিয়া এবং সুইজারল্যান্ডের মধ্যে অবস্থিত ছোট্ট এই দেশটিতেও নেই কোনও বিমানবন্দর। গোটা দেশে বসবাস করেন মাত্র ৪০ হাজার মানুষ। একটি ব্যক্তিগত হেলিপ্যাড থাকলেও সাধারণ মানুষকে বিমানে যাতায়াত করতে ১২০ কিলোমিটার দূরে জুরিখ বিমানবন্দরে যেতে হয়। জায়গার অভাবেই এখানেও কোনও বিমানবন্দর তৈরি করা যায়নি। তবে এখানে প্রাচীন যুগের সভ্যতার অনেক নিদর্শনও পাওয়া যায়।

http://coxview.com/wp-content/uploads/2021/09/Ture-San-Marino-.jpg

সান মারিনো (San Marino)

৪) সান মারিনো (San Marino): পৃথিবীর প্রাচীনতম দেশটি পুরোটাই ইতালি দ্বারা ঘেরা। পরিসীমা কেবল ৪০ কিলোমিটার। যাতায়াতের জন্য সাধারণ মানুষকে নির্ভর করতে হয় ১৬ কিলোমিটার দূরের ইতালির রিমিনি বিমানবন্দরের উপর। নিজস্ব কোন বন্দর এবং এয়ারপোর্ট নেই দেশটির। তবে বোর্গো মাগিওরিতে একটি হেলিপোর্ট রয়েছে। আর টোরাসিয়াতে আছে একটি ছোট্ট এয়ারফিল্ড, যার রানওয়ের দৈর্ঘ্য ২ হাজার ২৩০ ফুট।

http://coxview.com/wp-content/uploads/2021/09/Ture-Vatican-City-.jpg

ভ্যাটিকান সিটি (Vatican City)

৫) ভ্যাটিকান সিটি (Vatican City): বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ। মাত্র ৮০০ মানুষের বসবাস হলে কী হবে, প্রতি বছর প্রচুর মানুষ এখানে আসেন। আসলে এটি খ্রিষ্টানদের কাছে অন্যতম পবিত্র স্থান। এখানেই থাকেন পোপ ফ্রান্সিস। কিন্তু দেশটির নিজস্ব কোনও বিমানবন্দর নেই। পশ্চিম প্রান্তে একটি হেলিপোর্ট রয়েছে৷ সেটি রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারি কর্মকর্তারা ব্যবহার করেন। আসলে ভ্যাটিকান রোমেরই মধ্যে অবস্থিত। তাই বিমানে যাতায়াতের জন্য পার্শ্ববর্তী বিমানবন্দরই ভরসা।

%d bloggers like this: