Home / প্রচ্ছদ / মহেশখালী ইউপি নির্বাচন- বিদ্রোহী নিয়ে বিপাকে বড় দু’দল

মহেশখালী ইউপি নির্বাচন- বিদ্রোহী নিয়ে বিপাকে বড় দু’দল

A-Leeg & BNPশহীদুল ইসলাম কাজল; মহেশখালী :

কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার সাত ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে মহাবিপাকে বড় দু’দল। প্রার্থী মনোনয়নে তৃণমূলের দলীয় নেতা কর্মীর মতমত, ক্লিন ইমেজ, জনপ্রিয়তা ও সাধারন ভোটারদের চাহিদা আমলে নেয়নি এমন অভিযোগ ভোটারদের। অবাধ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন হলে বেশকটি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি’র স্বতন্ত্র নামের দলীয় বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। যদিও দলীয় প্রতীকে নির্বাচন। তবে এতে প্রতীকের বাইরে ব্যক্তি ইমেজকে প্রধান্য দিতে পারেন সাধারন ভোটার। তাই তৃণমূলের নির্বাচন হিসেবে সবটায় দলীয়ভাবে আশাকরা যাবেনা। গ্রহণযোগ্যতা, আত্মীয়তার পরিধি, নিজস্ব বলয়ের ব্যক্তির সংখ্যাগরিষ্টতা এক্ষেত্রে ভোটের হিসাব পাল্টে দিতে পারে।

সরজমিনে স্থানীয়দের সাথে আলাপকালে জানা যায়, কয়েকটি ইউনিয়নে দু’দলের মনোনয়ন বঞ্চিতরা বিদ্রোহী প্রার্থী না হলেও ভবিষ্যৎ কাঁটা পরিষ্কার করার জন্য দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে গোপনে দলীয় প্রার্থীর পরাজয়ের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারন ভোটারদের অভিযোগ-ত্যাগী, পরিক্ষিত, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের মনোনয়ন না দিয়ে অযোগ্য, বিতর্কিত ও জন বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিদের মনোনয়ন দেওয়ার ফলে ইউপি নির্বাচনে বড় দু’দলের কাংখিত ফল বিপর্যয় দেখা দিতে পারে বলে জানান অনেকেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাতারবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের এক নেতা জানান- সততা, ত্যাগ, ক্লিন ইমেজ ও সাধারন ভোটারদের চাওয়া পাওয়া টাকার কাছে জিম্মি হয়ে গেছে। ফলে প্রার্থী মনোনয়নে বড় দু’দলে অর্থের কাছে যোগ্যতা অনেকটা মূল্যহীন হয়ে পড়েছে।

এছাড়া এবাই প্রথম স্থানীয় নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ায় ক্ষেত্রে বড় দু’দলের মনোনয়ন বোর্ড়ের সদস্যরা অতীতের গ্রুপিং এর বিষয়টি মাতায় রেখে অনেক যোগ্য, জনপ্রিয় প্রার্থীকে মনোনয়ন বঞ্চিত করেছেন বলে অভিযোগ তৃণমূলের নেতাকর্মীদের। জানা যায়, বঞ্চিত উপদ্বীপ ধলঘাটায় তিনজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে ত্রিমূখী লড়ায়ের সম্ভাবনা রয়েছে। সব দিক বিবেচনায় আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকলেও দলীয় প্রার্থীর সুবিধা জনক অবস্থানের কথা বলতে পারছেন না কর্মী সমর্থকরা। কারন নিজের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে মনোনয়ন বঞ্চিত বর্তমান চেয়ারম্যান আহসান উল্লাহ বাচ্চু কোন অবস্থাতেই আ,লীগ দলীয় প্রার্থী কামরুল হাসানকে জয়ের লক্ষ্যে কাজ করবেন না বলে মনে করেন অনেকেই। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলেও প্রতীকের বাইরে ব্যক্তি ইমেজকে প্রধান্য দিতে পারেন সাধারন ভোটার।

স্থানীয় নির্বাচন হিসেবে সবটায় দলীয় ভাবে আশাকরা যায়না। গ্রহণ যোগ্যতা, আত্মীয়তার পরিধি, নিজস্ব বলয়ের ব্যক্তির সংখ্যাগরিষ্টতা ভোটের হিসাব পাল্টে দিতে পারে। আত্মীয়তার পরিধি, ভৌগলিক অবস্থান ধলঘাটার ইউপি নির্বাচনে এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল আলমের অনুকূলে। তবে বিএনপি মনোনীত একক প্রার্থী সরওয়ার আলম কোনভাবেই দূর্বল নয়। অতীতের ভোটের পরিসংখ্যান বিএনপি প্রার্থীর বিজয় অনেকটা নিশ্চিত বলে ইঙ্গিত বহন করে। তবে বিপত্তি একটাই-ধলঘাট ইউনিয়ন বিএনপির কিছু নেতাকর্মী সরওয়াল আলমকে দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মেনে নিতে পারছেননা। বিএনপি নেতা কর্মীদের দাবী, সুষ্ঠ নির্বাচন হলে দলীয় প্রার্থীর বিজয় সু-নিশ্চিত। মাতারবাড়ী ইউনিয়নে সক্রিয় তিনজন চেয়ারম্যান প্রার্থী থাকলেও বিশ্লেষকরা ভোটের হিসাব কষছেন দুজনকে নিয়ে। অভিযোগ উঠেছে, বর্তমান চেয়ারম্যান এনামূল হকের বৈষম্যমূলক কর্মকন্ডের ফলে বিগত পাঁচ বছরে মাতারবাড়ী ইউনিয়নের বেশকিছু এলাকায় উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। সাইরার ডেইল, দক্ষিন ও উত্তর রাজঘাটের মতো এলাকায় আশানুরুপ কোন উন্নয়ন হয়নি।

এছাড়া আওয়ামী তৃণমূলের রাজনীতির সাথে জড়িত না থাকায় কর্মী সমর্থকদের কাছেও তেমন গ্রহণ যোগ্যতা নেই বলে জানা যায়। অনেক জায়গায় উন্নয়নের নামে লুটপাট হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তৃণমূলের রাজনীতির সাথে লিপ্ত না থাকা সত্তেও শুধুমাত্র অর্থের মাপকাঠিতে জন বিচ্ছিন্ন চেয়ারম্যান এনামূল হক আওয়ামীলীগ দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন বলে অভিযোগ আওয়ামী কর্মী-সমর্থকদের। বর্তমানে তার পক্ষে যে প্রচারণা হচ্ছে তা আন্তরিকতা দিয়ে নয়, বরং অর্থের ফলে চলছে। দীর্ঘদিনের ত্যাগী, জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য একাদিক প্রার্থী মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ায় কর্মী সমর্থকদের নিরব বিদ্রোহ চলছে মাতারবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগে। ভয়ভীতি সত্তেও স্বতন্ত্র নামের বিদ্রোহী প্রার্থী মাষ্টার মোহাম্মদ উল্লাহর বিপুল জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতার মাঝে ছিটকে পড়তে পারে দলীয় প্রার্থী এনামূল হক রুহুল। কারন “অর্থের সম্পর্ক ক্ষণস্থায়ী ভালবাসার সম্পর্ক চিরস্থায়ী” বলে মন্তব্য করেন কর্মী সমর্থকরা। শিক্ষকতার পেশা ও দীর্ঘদিনের পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ইমেজ কর্মী সমর্থকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা মাষ্টার মোহাম্মদ উল্লাহর বিজয়ের মূল হাতিয়ার হিসেবে দেখছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা। এবার প্রার্থী নির্বাচনে ভূলের খড়া মাসুল দিতে হবে বিএনপিকে এমনই জানান কর্মী সমর্থকরা।

মাতারবাড়ী ইউনিয়নের জনপ্রিয়, গ্রহণযোগ্য, ভদ্র রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক, সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম এম.কম দলীয় গ্রুপিং এর কারনে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন। নুরুল ইসলামকে সময়ের নেতৃত্ব শূন্য মাতারবাড়ী ইউনিয়নে বিএনপির একমাত্র যোগ্য কান্ডারী বলে মনে করেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। তবোও এ জনপ্রিয় ব্যক্তি বিএনপি’র জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের গ্রুপিং এর নির্মম বলির পাঠা হওয়ায় বিজয় নিশ্চিত মাতারবাড়ী ইউনিয়নটি বিএনপির নিশ্চিত পরাজয় ধরে নিতে হবে বলে আশংকা দেখা দিয়েছে। জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর চৌধুরী’কে বিএনপি মনোনয়ন দিলেও গোষ্ঠিগত বিরুধ এলাকার একাধিক প্রার্থী, মাঠ পযার্য়ের কর্মীদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা ও হঠাৎ জেগে উঠা নেতা হওয়ায় বর্তমানে অনেকটা ভোটার সুবিধা বঞ্চিত বলে মনে করেন অনেকেই।

এছাড়া সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বলয়ের বিরাট একটি অংশের ভোট অন্য প্রার্থীর বলয়ে যেতে পারে বলে ধারনা স্থানীয়দের। সব মিলিয়ে ভোটের হিসাবে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী নামের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাষ্টার মুহাম্মদ উল্লাহর বিজয় অনেকটা নিশ্চিত করেন স্থানীয়দের ভোটের হিসাব। জেলার ১৯টি ইউনিয়নে ভোট হলেও প্রশাসনসহ সবার দৃষ্টি মহেশখালীর কালরামারছড়ার দিকে। বিভিন্ন বিষয়ের প্রেক্ষিতে কালারমারছড়ার নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানা জল্পনা কল্পনা, বির্তক ও নিরব আতংক। তপশীল ঘোষণার পূর্বে থেকে অনেক কল্প কাহিনীর পর অবশেষে মোঃ সেলিম চৌধুরীর দলীয় প্রার্থী হয়ে ২২ ফেব্রুয়ারী মনোনয়ন দাখিল করেন। ইতিপূর্বে ২১ ফেব্রুয়ারী স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে তারেক বিন ওসমান শরীফ মনোনয়ন দাখিল করলেও ২২ ফেব্রুয়ারী রাতে দলীয় প্রার্থী পরিবর্তনের খবর আসে। অনেক তর্ক বিতর্কের পর ২৪ ফেব্রুয়ারী তারেক বিন ওসমান শরীফকে আ,লীগের প্রার্থী ঘোষণা করেন রিটার্নিং অফিসার। প্রার্থী নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার আইন প্রতিকার চেয়ে মহামান্য হাইকোর্টে মোঃ সেলিম চৌধুরী রিটপিটিশন দায়ের করেন। তাই কোন দিকে মোড় নিতে যাচ্ছে কালারমারছড়ার ইউপি নির্বাচন এ মূহুর্তে। আইনি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকতে হবে। কে হচ্ছেন আ,লীগ দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী এটার ওপর নির্ভর করছে ভোটের হিসাব। তবে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ন নির্বাচন হলে বিএনপি’র একক প্রার্থী আলহাজ্ব এখলাছুর রহমান হিসাব উলুট পালট করে দিতে পারে এমনই জানান সাধারন ভোটাররা। নির্বাচনে সৃষ্ট জটিলতা অবশেষে হাইকোর্টে গড়ালেও ভোটের সমীকরণ নিয়ে ব্যস্ত আমজনতা। তবে সন্ধার হিসাব সকালের সাথে মিলাতে পারছেনা কেউ। প্রতি মূহুর্তের পাওয়া সংবাদ বিশ্লেষণে অনেকটা ক্লান্ত নেতাকর্মী থেকে শুরু করে তৃণমূলের ভোটাররা। তবে এবারের নির্বাচনের ওপর নির্ভর করছে কালারমারছড়ার আইন শৃংখলার পরিবেশ। নির্বাচন বিশ্লেষক ও এলাকার ভোটারদের মূখে ঘুরে ফিরে আসছে একটি বিষয় শেষ মুহুর্তে কে হচ্ছেন নৌকার আসল মাঝি? সচেতন ও অভিজ্ঞ মহলের ধারনা অবশেষে আইনি প্রতিকার সেলিম চৌধুরীর পক্ষে আসতে পারে। এটা হলে সেলিম চৌধুরীর বিজয় অনেকটা নিশ্চিত বলে জানান আওয়ামীলীগ কর্মী সমর্থক ছাড়াও সাধারন ভোটাররা। হোয়ানক ইউনিয়নে আ,লীগ দলীয় প্রার্থী মোস্তফা কামাল ও বিএনপি’র নবাগত প্রার্থী এনামুল করিম এর মধ্যে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই হওয়ার কথা। কিন্তু বিপত্তি একধিকে স্বতন্ত্র নামের দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী ও মনোনয়ন বঞ্চিত সাবেক চেয়ারম্যান আবু তাহের সিকদারের নিরবতা ও বির্তকিত কর্মকান্ডে সম্পৃক্ততার কারনে সাধারন ভোটারদের সমর্থন কমে যাওয়ায় অনেকটা কোন ঠাসা হয়ে পড়তে পারেন বিএনপি’র প্রার্থী এনামুল করিম। নির্বাচন বিশ্লেষকদের ধারনা- আ,লীগ দলীয় প্রার্থী মোস্তফা কামাল ও বিএনপি নেতা আবু তাহের সিকদার নিকট আত্মীয় হওয়ায় স্থানীয় ক্ষমতা গোষ্ঠিগত করার জন্য কৌশলে কাজ করে যাচ্ছেন। তৃণমূলের জনপ্রিয়, গ্রহণযোগ্য ও সাবেক সফল চেয়ারম্যান হওয়া সত্বেও গ্রুপিং এর কারনে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছন তাহের সিকদার। যোগ্যপ্রার্থী হওয়া সত্বেও মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভে আগামীতে নিজের পথ পরিষ্কার রাখতে দলীয় প্রার্থীর পরাজয়ে কাজ করতে পারেন বলে সন্দেহ অনেকের। সব মিলিয়ে আ, লীগ দলীয় প্রার্থী মোস্তফা কামালের বিজয় নিশ্চিত বলে মনে করেন কর্মী সমর্থকরা।

বড় মহেশখালী ইউপি নির্বাচনে আ, লীগ প্রার্থীর বড় চ্যালেঞ্জ স্বতন্ত্র নামের বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থী এনায়েত উল্লাহ বাবুল। মরহুম সিরাজুল হক কয়েকবার বড় মহেশখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। সে সুবাধে দীর্ঘদিন থেকে সমাজের বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষের সাথে সু-সম্পর্ক, তৃণমূলের ভোটারদের গ্রহণযোগ্যতা বিজয়ী হতে পারে এনায়েত উল্লাহ বাবুল। মূলত এখানে আ,লীগ প্রার্থী শরীফ বাদশা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এনায়েত উল্লাহ বাবুলের মধ্যে ভোট যুদ্ধ চলবে বলে জানা যায়। তবে বৃহত্তর ফকিরাঘোনা এলাকার ভোটার যেহেতু উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার পাশা চৌধুরীর নির্দেশনা অনুসরন করে তাই শরীফ বাদশার বিজয় মোটা মোটি নিশ্চিত মনে করেন অনেকেই। এদিকে কুতুবজুম ইউপি নির্বাচনে ভোটের হিসাবে এখনো বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাও: শফিউল আলম’কে এগিয়ে রাখছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপি প্রার্থী জয়ী হওয়ার সম্ভাবনার ইঙ্গিত বহন করে অতীতের ভোটের হিসাব। তবে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী মোঃ মোশারফ হোসেন খোকন’কে হালকা ভাবে দেখছেননা সাধারন ভোটাররা। এখনো ভোটের দশদিন বাকী থাকায় ভোটের হিসার পাল্টে দু’জনের মধ্যে হাড্ডা হাড্ডি লড়ায়ের কথা জানান অনেকেই। ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের ভোটের হিসাব নিয়ে চুলছেড়া বিশ্লেষণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ভোটাররা।

সংখ্যালঘু ভোটার ও এলাকা ভিত্তিক হিসাবে এখনো ভোটের হিসাবে এগিয়ে রয়েছেন আ, লীগ মনোনীত প্রার্থী জিহাদ বিন আলী। তবে জিহাদ বিন আলীর ভোটের হিসাবে পাল্টে দিতে পারেন আ, লীগের স্বতন্ত্র নামের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দু ছামাদ। ছামাদের নিজস্ব কিছু ভোট ব্যাংক থাকায় এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারছেননা শেষ হাসি কে হাসবে। এদিকে বিএনপি প্রার্থী নুরুল হুদার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বিএনপি’র স্বতন্ত্র নামের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান সিরাজুল মোস্তফা।

গ্রহণযোগ্যতা ও মাঠ পর্যায়ে জনপ্রিয়তা থাকা সত্বেও গ্রুপিং এর কারনে সিরাজুল মোস্তফা মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন বলে ধারনা কর্মী সমর্থকদের। তবোও শেষ পর্যায়ে বৃহৎ স্বার্থে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর ভোট একহলে জিহাদ বিন আলীর বিজয় অনেকটা খাদের কিনারায় চলে যেতে পারে বলে ধারনা বিশ্লেষকদের। বড় দু’দলে গ্রহণযোগ্য বিদ্রোহী প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে যাওয়ার দলীয় প্রার্থীরা অনেকটা বিপাকে পড়েছেন। তাই প্রার্থী নির্বাচনে ভূলের মাসুল দিতে হতে পারে বড় দু’দলকে এমনই মনে করেন দু’দলের তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা।

%d bloggers like this: