মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন

মিয়ানমার থেকে ফিরিয়ে আনা হলো আরো ১২৫ বাংলাদেশীকে

www.coxview.comঅজিত কুমার দাশ হিমু :
মিয়ানমারের জলসীমা থেকে উদ্ধার হওয়া অভিবাসনকামীদের মধ্যে পঞ্চম দফায় আরো ১২৫ বাংলাদেশীকে ফেরত আনা হয়েছে। ২৫ আগষ্ট মঙ্গলবার দুপুর ১টা ২৫ মিনিটের সময় বান্দরবানের ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। যাদের ফিরে আনা হয়েছে তাদের মধ্যে ১৪ জেলার বাসিন্দা থাকলেও শুধু মাত্র কক্সবাজারের রয়েছে ৮৬ জন। ততমধ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্ক রয়েছে ২৪ জন।
মিয়ানমার থেকে ১২৫ বাংলাদেশীকে ফেরত আনতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-১৭ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় মিয়ানমার যান। এরপর বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে মিয়ানমারের ইমিগ্রেশন বিভাগের সাথে পতাকা বৈঠক শুরু হয় মিয়ানমার সিমান্তের ঢেঁকিবনিয়া বিজিপি ক্যাম্পে। বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন লেঃ কর্ণেল মোঃ রবিউল ইসলাম।
অপরদিকে মিয়ানমারের পক্ষে নেতৃত্ব দেন মিয়ানমার ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনাল রেজিস্ট্রি ডিপার্টমেন্ট পরিচালক ইউ স নাইং।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-১৭ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, ফিরিয়ে আনা বাংলাদেশীদের মধ্যে ১৪ জেলার বাসিন্দা থাকলেও শুধু মাত্র কক্সবাজারের রয়েছে ৮৬ জন। ততমধ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্ক রয়েছে ২৪ জন। তাদেরকে পুলিশ প্রশসনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আইএমও এবং রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি এর মাধ্যমে নিজ নিজ বাড়ীতে পৌছে দেয়া হবে এবস বাংলাদেশীদের।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) ন্যাশনাল প্রোগাম অফিসার আসিফ মুনীর জানান, ফিরে আসা ১২৫ বাংলাদেশীকে দেশের সীমান্তে প্রবেশের পর থেকে বাড়ি পৌঁছানো পর্যন্ত তাদের খাদ্য, চিকিত্সা ও যাতায়াত খরচসহ সব ধরনের মানবিক সহায়তা আইওএম দেবে বলে তিনি জানান।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমদ বলেন, পতাকা বৈঠক শেষে বাংলাদেশি হিসেবে শনাক্তকৃতদের কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। ওখানে ইমিগ্রেশন সংশ্লিষ্ট কাজ শেষে তথ্য সংগ্রহের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ চলবে। এরপরই তাদের বাড়িতে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
এদিকে বিজিবি সূত্র জানায়, ২১ মে প্রথম দফায় মিয়ানমারের জলসীমা থেকে সাগরে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ২০৮ জন অভিবাসীর মধ্যে ১৫০ জনকে বাংলাদেশি হিসেবে শনাক্ত করে ফেরত আনা হয়। এরপর ১৯ জুন দ্বিতীয় দফায় আনা হয় আরো ৩৭ জনকে।
এ ছাড়া ২৯ মে মিয়ানমারের নৌবাহিনী আরো ৭২৭ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করে। তাদের মধ্যে থেকে গত ২২ জুলাই ১৫৫ জন বাংলাদেশিকে ফেরত আনা হয়। এর পর ১০ আগষ্ট চতুর্থ দফায় ফেরত আনা হয় ১৫৯ জনকে। চতুর্থ দফায় মিয়ানমার থেকে সর্বমোট ৫০১ জন বাংলাদেশিকে ফেরত আনা হয়েছে।

https://www.facebook.com/coxview

Design BY Hostitbd.Com