মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন

রামু মন্দিরে অগ্নিসংযোগ-হামলার মামলায় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান বহিস্কৃত

রামু মন্দিরে অগ্নিসংযোগ-হামলার মামলায় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান বহিস্কৃত

রামু মন্দিরে অগ্নিসংযোগ-হামলার মামলায় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান বহিস্কৃত

নিজস্ব প্রতিনিধি, নাইক্ষ্যংছড়ি :

কক্সবাজার জেলার রামুর মন্দির পুড়ার ঘটনায় প্রধান হোতা হিসেবে আসামী করে আদালতে অভিযোগপত্র গৃহিত হওয়ায় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ১ অক্টোবর বৃস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব লুৎফার নাহার স্বাক্ষরিত নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে পাঠানো পত্রে এ বহিস্কারের কথা জানানো হয়।

পত্রে উল্লেখ করা হয়,বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তোফাইল আহমদ রামু থানা মামলা নম্বর-৩৯ তারিখ-৩০/০৯/২০১২ (জি,আর ৩০৬/২০১২ দণ্ডবিধি ২৯৫/২৯৫ (ক০/১৫৩(ক)/৫০৫/৩৪ ধারা মামলার অভিযোগপত্র কক্সবাজারের আদালতে গৃহিত হয়েছে।

এ পত্রে আরো উল্লেখ করা হয়, যেহেতু তার দ্বারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা প্রয়োগ উপজেলা পরিষদের জন্যে স্বার্থহানিকর এবং প্রশাসনিক দৃষ্টি থেকে সমীচীন নয় মর্মে কর্তৃপক্ষের নিকট প্রতিয়মান হয়েছে। আর এ কারনে উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ [উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০১১ দ্বারা সংশোধিত] এর ১৩ খ ধারার (১) উপধারা অনুযায়ী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান উপজেলা জামায়াতের সহ-সভাপতি তোফাইল আহমদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এদিকে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু শাফায়াত মো: শাহেদুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ের এ প্রজ্ঞাপন তিনি পেয়েছেন। একই সাথে উপজেলা চেয়ারম্যানও এ পত্র পেয়েছেন।

উল্লেখ্য ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রামুর বর্বরোচিত বৌদ্ধ মন্দিরে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর, লুটতরাজ, ও ক্ষয়ক্ষতির অপরাধে ডজনাধিক মামলার আসামী হন এ চেয়ারম্যান। এরই মাঝে ২টি মামলার অভিযোগপত্র আদালতে গৃহিত হয়।

এর মধ্যে একটি মামলার রেফারেন্স টেনে সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এ পত্র পাঠান বান্দরবান জেলা প্রশাসক ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে।

https://www.facebook.com/coxview

Design BY Hostitbd.Com