Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / ঈদগাঁও বাজারের দেড় হাজার দোকান রক্ষায় মাত্র ৭ জন নৈশ প্রহরী

ঈদগাঁও বাজারের দেড় হাজার দোকান রক্ষায় মাত্র ৭ জন নৈশ প্রহরী

প্রতিকী ফটো

এম আবুহেনা সাগর; ঈদগাঁও :

কক্সবাজার জেলার সদর উপজেলার ঈদগাঁও বাজারে দেড় হাজার ব্যবসায়ীক দোকান পাট রক্ষায় মাত্র ৭ জন নৈশ প্রহরী নিয়োজিত রয়েছে। যাতে করে, বিশাল বাজারের ব্যবসায়ীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য মতে, কক্সবাজার সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ঈদগাঁও বাজারে আনুমানিক দেড় হাজার বিভিন্ন ধরণের ব্যবসায়ীক দোকান পাট রয়েছে। তন্মমধ্যে ২০টির অধিক স্বর্ণের দোকান ও রয়েছে। এসব দোকান পাট রাত্রীকালীন সময়ে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে মাত্র ৭ জন নৈশ প্রহরী দায়িত্ব পালন করছে। গড়ে ২ শতাধিক দোকানের নিরাপত্তায় একজন করে নৈশ প্রহরী।

এদিকে বাজারের দোকনদারের টাকায় নৈশ প্রহরীদের বেতন ভাতা চলে আসছে দীর্ঘ সময় ধরে। কিন্তু অনেক দোকানদার রাতের বেলায় কষ্ট করে পাহারা দেওয়া নৈশ প্রহরীদের মাসিক নির্দিষ্ট ফিঃ ও দিতে চায়না। এমনকি নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যবসায়ীক দোকানদারের কাছ থেকে বেতন না উঠার কারণে নৈশ প্রহরীর সংখ্যা বাড়ানো যাচ্ছেনা। আবার এ বৃহৎ বাণিজ্যিক উপ-শহর ঈদগাঁও বাজারের প্রায় দেড় হাজার নানা ধরনের ব্যবসায়ীক দোকানে রাতের বেলায় পাহারায় প্রয়োজন নূন্যতম ১০/ ১২ জন নৈশ প্রহরী প্রয়োজন।

এ বিষয়ে ঈদগাঁও বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা পরিষদের সাবেক আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম জানান- বাজার কমিটি নামে আছে, কাজে নেই। কোন ধরনের সু-সম্পর্ক নেই। কমিটির সদস্যদের সম্বনয়হীনতার অভাবে বাজার পরিচালনা কমিটি দু-টানায় অবস্থান করছে।এমনকি বর্তমানে ঈদগাঁও বাজারের নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব ও উত্তীর্ণ হয়েছে বলে জানান।

অন্যদিকে বাজারের এক টাইলস ব্যবসায়ীর মতে, বাজারের নানা সমস্যা সমাধান করতে হলে বাজারের নির্বাচন অতীব প্রয়োজন। তবে সচেতন মহলের মতে, জেলা সদরের ঈদগাঁও বাজারের ব্যবসায়ী পরিচালনা পরিষদের নির্বাচন দেওয়ার জোর দাবী জানান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট। আবার ঈদগাঁও বাসষ্টেশনে প্রায় সহশ্রাধিক দোকান রয়েছে। দীর্ঘ বছর ধরে কোন ধরণের রাতের বেলায় পাহারাদার নিয়োজিত নেই বলে জানান বাসষ্টেশন ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবু তৈয়ব চৌধুরী।

উল্লেখ্য যে, ষ্টেশনে নৈশ প্রহরী না থাকায় দরগাহ্ গেইটের সামনে হাজ্বী আবছার সওদাগরের মুদি দোকানে পার্শ্ববতী পল্লী চিকিৎসক আব্দু সালামের দোকান পেছন থেকে ভেন্টিনার ভেঙ্গে সংঘবদ্ধ চোর দল প্রবেশ করে। চোরেরা ২১ ও ২২ আগষ্ট দু-দফায় চুরি করে নগদ টাকা ও মালামাল নিয়ে যায়। এ নিয়ে ষ্টেশন এলাকার ব্যবসায়ীদের মাঝে চোর আতঙ্ক বিরাজ করছে। নৈশ প্রহরী নিয়োগের দাবী জানান এলাকার সচেতন মহল।

Leave a Reply

%d bloggers like this: