Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / চকরিয়ায় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো সম্পন্ন

চকরিয়ায় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো সম্পন্ন

 

মুকুল কান্তি দাশ; চকরিয়া :

কেউ এসেছে মা-বাবার কোলে ছড়ে আবার কেউ কেউ এসেছেন বাবা-মা’র হাত ধরে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছেন সবাই। যারা একটু-আদটু হাঁটতে পারছে তারা লাইন থেকে বের হয়ে খেলা করছেন। সব শিশুর চোখে-মুখে আনন্দের হাসি। সবাই যখন হাসে তখন মনে হচ্ছে চাঁদ হাসছে। এটি কোন বিয়ে অনুষ্ঠানের চিত্র নই। ভিাটমিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো উপলক্ষ্যে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাস্তব চিত্র এটি।

এসময় কথা হয় শিশুর বাবা খালেদ হোসেনের সাথে। তিনি বলেন, বাবা-মা হিসেবে আমাদের দায়িত্ব শিশুদের সুস্থ রাখা। শিশু সুস্থ থাকলেই আমরা ভালো থাকি। শিশু সুস্থতার কথা চিন্তা করেই সব কাজ ফেলে সকাল থেকে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছি। খুব ভাল লাগছে।

তিনি আরো বলেন, শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য সরকার যেভাবে প্রচার চালিয়েছে তা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।

শনিবার ৫ আগষ্ট সকাল ১০ টায় চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো.ইলিয়াছ ও চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জাফর আলম ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর উদ্বোধন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প:প: কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা.মুজিবুল হক ও হাসপাতালের চিকিৎসকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চকরিয়া উপজেলার ৪৩৭টি কেন্দ্রে ১১০জন সেচ্ছাসেবক ভিটামির এ ক্যাপসুল খাওয়াবেন। আর এদের তদারকি করেছেন ৫৪জন সুপারভাইজার। ১ থেকে ৫ বছরের শিশুদের ৭৫ হাজার ৩০৪টি লাল রঙের ক্যাপসুল এবং ৬ থেকে ১ বছর বয়সি শিশুদের ৯হাজার ১৫৫টি সবুজ রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানে হয়।

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প:প: কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা.মুজিবুল হক বলেন, উপজেলার একটা শিশুও যাতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো থেকে বাঁধ না যায় সেজন্য বেশ কয়েকদিন থেকে প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়েছে। আশা করছি একটি শিশুও বাঁধ পড়বে না। আর যদি কেউ বাঁধও পড়ে তাদেরকে নিজ নিজ এলাকার স্বাস্থ্যকর্মীরা খাওয়ানোর ব্যবস্থা করবেন।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম বলেন, সরকার শিশুদের রোগ-ব্যাধী থেকে মুক্ত রাখতে সর্বদা সচেষ্ট। একটি শিশু একটি পরিবারের আনন্দের উৎস। শিশু হাসি-খুশিতে থাকলেই পরিবারের সবাই ভাল থাকে। তাই সরকার শিশুদের স্বাস্থ্যর ব্যাপারে খুবই সচেতন। সেজন্য আমরা ওকাজ করে যাচ্ছি।

Leave a Reply

%d bloggers like this: