Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / শিক্ষা-দিক্ষা / জ্ঞান অন্বেষণে ঈদগাঁওতে নেই উম্মুক্ত পাঠাগার স্হাপনের দাবী

জ্ঞান অন্বেষণে ঈদগাঁওতে নেই উম্মুক্ত পাঠাগার স্হাপনের দাবী

 

এম আবুহেনা সাগর; ঈদগাঁও :

নির্ধারিত পাঠ্য বই ছাড়া সাধারণ জ্ঞান অন্বেষণে জেলা সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁওতে কোন প্রকার গণপাঠাগার নেই। দ্রুত স্হাপনের দাবী জানিয়েছে বৃহত্তর এলাকার গ্রামাঞ্চলের তরুণ প্রজন্মের উঠতি বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, কক্সবাজার সদর উপজেলার বিশাল এলাকা হচ্ছে ঈদগাঁও। এটি ইসলামাবাদ, ইসলামপুর, পোকখালী, জালালাবাদ, ছৌফলদন্ডী ও ঈদগাঁও ইউনিয়ন নিয়ে বৃহত্তর ঈদগাঁও হিসেবে পরিচিত লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। এ এলাকায় ঐতিহ্যবাহী ঈদগাহ ফরিদ আহমদ ডিগ্রী কলেজ, ঈদগাঁও আলমাছিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা, ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ঈদগাহ আদর্শ শিক্ষা নিকেতন, ঈদগাহ জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ছাড়াও পাশ্ববর্তী বিভিন্ন ইউনিয়নে আরো অনেক বিদ্যাপীঠ রয়েছে। অথছ এসব স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা প্রিয় শিক্ষাঙ্গনের ক্লাস শেষে বিকেলে ঈদগাঁও বাজারে বাহ্যিক সাধারন জ্ঞান অন্বেষণে নেই কোন ধরনের উম্মুক্ত পাঠাগার।

বৃহত্তর এলাকার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চল থেকে বাজারে আসা পড়ুয়া ছাএরা অবসরে বসে স্হানীয় – জাতীয় পত্র-পত্রিকা, হরেক রকমের ভাল মানের মহা মনীষীদের লেখা বই, ম্যাগাজিন, বিনোদনমুলক বই, চাকরী বার্তা এবং তথ্য প্রযুক্তিমূলক বই পড়ার মত সুযোগ সুবিধা থেকে বাদ পড়ে যাচ্ছে। অথছ এ এলাকা থেকে জেলা সদরে ভাল ভাল পদবী নিয়ে অবস্হান করছে মহা জ্ঞানী-গুনী সম্মানিত ব্যক্তিবর্গরা। এসব বিষয়াদি নিয়ে তাদের নেই কোন ধরনের মাথা ব্যাথা। চাইলে বিশাল এলাকায় ছড়িয়ে ছিড়িয়ে থাকা মেধাবী মুখ কিংবা বর্তমানে পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের দিকে দৃষ্টি রেখে একটি আলোকিত এলাকা, সমাজ ও কিছু শিক্ষনীয় স্হান পাঠাগার করে, এলাকাতে বা মহল্লার লোকজনের মাঝে দৃষ্টান্ত স্হাপন করতে পারে।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার সরকারী কলেজের মানবিক বিভাগের ছাত্র এবং ঈদগাঁওর সামাজিক সংগঠন অক্ষরের কর্ণধার রুবায়েদ আদেল পাঠাগার থেকে অনেক কিছু শেখা যায়। অবসরে বন্ধুদের আড্ডায় আলোকিত স্হান পাঠাগারের বিকল্প নেই। তাই তিনি ঈদগাঁওতে একটি উম্মুক্ত পাঠাগার বাস্তবায়নের জোর দাবী জানান।

আবার রামু কলেজের ব্যবসায়ী শিক্ষা বিভাগের ছাত্র জুবাইর ফরহাদ আশিক জানান, পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি বাহ্যিক জ্ঞান অন্বেষণে পাঠাগার গুরুত্ব বহন করে। তাই পাঠাগার স্হাপন আসলেই যুক্তিক দাবী।

অন্যদিকে এনজিও এবং সংবাদকর্মী রফিকুল ইসলাম লিটন জানান, বর্তমান সময়ে ঈদগাঁওতে একটি পাঠাগার স্হাপন করলে, বিশাল এলাকাবাসী জ্ঞান অন্বেষণে আরো একধাপ এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হত। অসামাজিক কার্যকলাপ থেকে একটু হলেও বিরত থাকতো উঠতি প্রজন্মের যুব ও তরুনরা।

অপরদিকে চট্টগ্রামের সাউদান ইউনিভারসিটির এলএলবির ছাত্র এবং ইসলামপুরের কৃতি সন্তান তানিম জানান, আলোকিত সমাজ বির্নিমানে পাঠাগারের ভূমিকা অতুলনীয়। অতিসত্বর ঈদগাঁওতে একটি পাঠাগার স্হাপন করার প্রতিও আহবান তার।

Leave a Reply

%d bloggers like this: