Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / বিজ্ঞান, তথ্য ও প্রযুক্তি / টেলিকম ব্যবসায় গতি বদলে দিতে চান এলন

টেলিকম ব্যবসায় গতি বদলে দিতে চান এলন

https://i2.wp.com/coxview.com/wp-content/uploads/2021/06/Elon-Mask-.jpg?resize=615%2C340

যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার স্বত্বাধিকারী এলন মাস্ক। গাড়ি বাদেও রকেটসহ অন্যান্য ব্যবসার সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন তিনি। যুক্ত হচ্ছেন নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে। এবার তিনি টেলিকম ব্যবসায় গতি বদলে দিতে চান।

সম্প্রতি ব্রিটিশ সাময়িকী ইকোনমিস্ট–এর এক প্রতিবেদনে ইলন মাস্কের ভিন্নধর্মী উদ্যোগগুলোর তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে আরও বলা হয়েছে কম খরচে মহাকাশ ভ্রমণ সুবিধা দিতে চান তিনি। গড়তে চান মঙ্গল গ্রহে বসতি।

ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ফেব্রুয়ারি মাসে টেসলার সহপ্রতিষ্ঠাতা এলন মাস্ক বিটকয়েন সমর্থন করে টুইটারে পোস্ট দেন। বিটকয়েনের বিনিয়োগের ঘোষণাও দেন। এতেই হু হু করে বেড়ে যায় এ ক্রিপটোকারেন্সির দাম। কিন্তু মে মাস আসতে না আসতেই তিনি বিটকয়েনের বিষয়ে সতর্ক করেন সবাইকে।

বিটকয়েন ব্যবহার করে গাড়ি কেনার সুবিধা বন্ধ করে দেয় তার প্রতিষ্ঠান টেসলা। আর এতেই কমতে শুরু করে বিটকয়েনের দাম। ইলন মাস্কের আগ্রহ শুধু বিটকয়েন নিয়েই আটকে নেই। তার প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স কাজ করছে বিশাল রকেট নিয়ে।

ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, টেসলার মিশন হচ্ছে টেকসই শক্তিতে বিশ্বের স্থানান্তরকে ত্বরান্বিত করা। আর স্পেসএক্সের মিশন আরও বৃহত্তর। ইলন মাস্ক চাইছেন, পৃথিবীর বাইরেও মানবসভ্যতার স্থানান্তর করতে। তিনি মঙ্গল গ্রহে বসতি স্থাপনের মধ্য দিয়ে এর সূচনা করতে চান। তার এ ভবিষ্যৎ লক্ষ্যের কারণে টেসলার মতোই স্পেসএক্সের মূল্যায়নও তাই বেড়েছে বহু গুণে।

স্পেসএক্সের পরবর্তী লক্ষ্য হচ্ছে টেলিকম ব্যবসা। স্টারলিংক নামের উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী কম খরচে ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বিশ্বের যেসব প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট সুবিধা নেই, সেখানে সেবা পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে স্টারলিংক।

যদিও এই বাজারটি অনেক বড় পরিসরের। আন্তর্জাতিক টেলিকম ইউনিয়নের (আইটিইউ) হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯ সাল পর্যন্ত বিশ্বের ৪৮ শতাংশ মানুষের কাছে ইন্টারনেট পৌঁছায়নি।

স্পেসএক্সের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা গোয়াইনি শটওয়েল বলেন, ২০১৯ সালে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট সংযোগ–সুবিধার বাজার এক ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল। ইলন মাস্ক ওই সময়েই বাজারের ৩ শতাংশ দখলের লক্ষ্য নির্ধারণ করেন।

ইলন মাস্কের এই উদ্যোগে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের কাছ থেকেই সাড়া মিলেছে। আরও অনেক দেশ এ ইন্টারনেট সেবা নিতে আগ্রহী। তবে এ সেবা নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। সব দেশের সরকার এতে সাড়া দিচ্ছে না। কারণ, এ ধরনের ইন্টারনেটের ক্ষেত্রে সেন্সরশিপ আরোপ করা জটিল হবে।

 

 

সূত্র: somoynews.tv – ডেস্ক।

Leave a Reply

%d bloggers like this: