Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / জাতীয় / বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার নিচে তিস্তার পানি

বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার নিচে তিস্তার পানি

http://coxview.com/wp-content/uploads/2022/06/Bridge-Tista.jpeg

অনলাইন ডেস্ক :
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে তিস্তা নদীর পানি আবারও হু হু করে বাড়ছে। এরই ফলে তিস্তা নদী বেষ্ঠিত এলাকার গ্রামগুলো প্লাবিত হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। সেই সাথে ডিমলার বুড়িতিস্তা, সিংগাহারাসহ অন্যান্য নদীরও পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে সোমবার (২০ জুন) সকাল ৯টার দিকে তিস্তা নদীর পানি কমে বিপৎসীমার মাত্র ৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে সকাল ৬টার দিকে পানি ৭ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। এদিকে পানির গতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

এদিকে নদীটির পানি বিপৎসীমার নিচে থাকলেও ভয়ে রয়েছেন তিস্তা পাড়ের মানুষ। ভারতের দো-মহনী পয়েন্টে সকাল ৬টার দিকে তিস্তার পানি বিপদসীমার ৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। সেই পানি বাংলাদেশের ভাটি নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টের দিকে ধেয়ে আসছে বলে ভারতীয় বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানা গেছে।

ডালিয়া পয়েন্টে দুপুরে পানি বিপৎসীমার উপরে চলে যেতে পারে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা। তারা নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে অনুরোধ করেছেন।

এর আগে রবিবার সকাল ৬টার দিকে এ পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ১২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও সারাদিনে পানি অনেক কমে যায়। রাত ৯টার দিকে পানি ১৪ সেন্টিমিটার নিচে নেমে যায়। এতে প্লাবিত হওয়া তিস্তার চর ও নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নেমে যেতে শুরু করে।

কেল্লাপাড়া চরের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম জানান, নদীর পানি কমায় আমাদের বাড়ি থেকে রোববার বিকালে পানি নেমে গেছে। তবে সোমবার দুপুরে নাকি আবার পানি বাড়বে। এজন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।

টেপাখড়িবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ময়নুল হক বলেন, এখন আমার ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি নেই। তবে উজান থেকে দ্রুতগতিতে পানি আসায় আবারো পানি বাড়তে পারে। এজন্য আমি নিম্নাঞ্চলে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে যেতে বলেছি।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসফা উদ দৌলা জানান, সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বিপৎসীমার ৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়। তবে উজান হতে খুব বেশি পরিমানে পানি ধেয়ে আসছে। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি সবসময়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: