বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
বিএনপির জন্য অপেক্ষা করবে নির্বাচন কমিশন বঙ্গবন্ধুর দেশে একটি মানুষও গৃহহীন থাকবেনা- প্রধানমন্ত্রী বান্দরবানে জাতীয় পার্টির কর্মী সমাবেশে বিদিশা এরশাদ ছাত্রলীগের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মহেশখালী বিদ্যুৎ-জ্বালানি ছাড়াও মডেল সিটি গড়ে উঠবে কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী আগমন উপলক্ষে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফলে ঈদগাঁওতে ব্যাপক প্রস্তুতি : মহাসড়কে তোরণ সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশীপে স্বর্ণপদক জয়ীদের গণসংবর্ধনা লামায় টেকনাফে পর্যটকবিহীন জাহাজে আগুন শুয়ে বই পড়লে যা হয় ঢাবির হল শাখার উপ-তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক হলেন ঈদগাঁওর আহসান

লামায় ৬ দাবিতে তামাক চাষী, ব্যবসায়ী ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন

http://coxview.com/wp-content/uploads/2021/02/Manobbandhon-Rafiq-17.02-3.jpg

https://i0.wp.com/coxview.com/wp-content/uploads/2021/02/Manobbandhon-Rafiq-17.02-3.jpg?resize=540%2C223মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম; লামা :

পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামায় ৬ দাবিতে মানববন্ধন করেছে তামাক চাষী, ব্যবসায়ী ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় লামা উপজেলা পরিষদের প্রধান সড়কে আধাঘন্টা ব্যাপী তিন শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় শ্রমিক লীগ লামা পৌর শাখার সভাপতি আবুল বাশার এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন এর সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান।

আরো উপস্থিত থেকে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারিস হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক গফুর হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন, সদস্য এস.এম মোস্তাকিম জনি সহ বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশন এর নেতাকর্মী ও লামা উপজেলার তামাক চাষী ব্যবসায়ীরা।

https://i0.wp.com/coxview.com/wp-content/uploads/2021/02/Manobbandhon-Rafiq-17.02-2.jpg?resize=540%2C196বক্তারা বলেন, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বেশির ভাগ মানুষ তামাক চাষের সঙ্গে জড়িত। পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ায় এখানে অন্য ফসলের ফলন ভালো হয় না। ফলে আমরা তামাক চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করি। তামাক ব্যবহার হয়ে থাকে কেবল দেশীয় বিড়ি শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে। বিড়ির উপর ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মাত্রাতিরিক্ত করারোপের ফলে বিড়ি কারখানগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বিড়ি শিল্পের এই অবস্থার কারণে আমাদের উৎপাতি তামাক বিক্রয় বন্ধ হয়ে পড়েছে। যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে হাজার হাজার তামাক চাষী ও ব্যবসায়ীরা। ফলে পার্বত্য অঞ্চলের তামাক চাষীরা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে। যা অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এই এলাকার মানুষের অন্য কোনো আয়ের পথ না থাকায় দেখা দিচ্ছে অভাব-অনটন। ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে প্রতি প্যাকেট বিড়িতে ৪ টাকা মূল্য বৃদ্ধি করে বিড়ির সাথে তামাক চাষী ও ব্যবসায়ীদের স্বমূলে ধ্বংস করার আরেকটি কৌশল অবলম্বন করেছে। এতে তামাক চাষীরা হাজার হাজার টন তামাক বিক্রি ও ন্যায্য মূল্য হতে বঞ্চিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আমাদের বেঁচে থাকার জন্য নিন্মোক্ত ৬টি দাবি তুলে ধরলাম।

দাবিসমূহ হল, তামাক চাষীদের তামাক পাতা বিক্রয়ের নিশ্চয়তা দিতে হবে। ২. তামাক চাষীদের তামাক পাতা বিক্রয়ের সঠিক মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। ৩. ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে বিড়ির উপর বৃদ্ধিকৃত অতিরিক্ত ৪ টাকা মূল্যস্তর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করতে হবে। ৪. বিড়ির উপর অর্পিত ১০ শতাংশ অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহার করতে হবে। ৫. বিড়ির শুল্ক কমিয়ে তামাক পাতার ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করতে হবে। ৬. বঙ্গবন্ধুর আমলে তামাকের ন্যায্যমূল্য ছিল আমরা চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলেও তামাকে ন্যায্য মূল্য পাবো।

https://www.facebook.com/coxviewnews

Design BY Hostitbd.Com