Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / অপরাধ, আইন-আদালত / ফলোআপ: হাকিম ডাকাতের দুই সহযোগি ও উদ্ধারকৃত অস্ত্র-গুলি থানায় হস্তান্তর

ফলোআপ: হাকিম ডাকাতের দুই সহযোগি ও উদ্ধারকৃত অস্ত্র-গুলি থানায় হস্তান্তর

৬/৭ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে দুইটি মামলা রুজু

 

ফাইল ফটো

গিয়াস উদ্দিন ভুলু; টেকনাফ :

গত ৭ আগষ্ট সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফের গহীন পাহাড়ে র‌্যাব-৭ সদস্যদের সাঁড়াশি অভিযানে শীর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত আবদুল হাকিমের দুই সহযোগিকে আটক করা হয়। এই অভিযানে উদ্ধার করা হয় ১৭ টি দেশীয় তৈরি অস্ত্র ও ৪৩৭ রাউন্ড বিভিন্ন প্রকারের গুলি।

টেকনাফ থানা সুত্রে জানা যায়, ৮ আগষ্ট মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে কক্সবাজার র‌্যাব-৭ এর সদস্যরা উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গুলিসহ আটককৃত দুই ডাকাত ফরিদ আলম ও শামসুল আলমকে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করে পৃথকভাবে দুইটি মামলা রুজু করেন। অস্ত্র আইনে একটি, ডাকাতির প্রস্তুতীর করার দায়ের অপরাধে একটি মামলা রুজু করা হয়। উক্ত মামলাগুলোতে শীর্ষ ডাকাত আবদুল হাকিমসহ আরো ৬-৭ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ৭ আগষ্ট সন্ধ্যার পর থেকে টেকনাফ পৌরসভার পুরান পল্লান পাড়া এলাকার গহীন পাহাড়ে র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার মেজর রুহুল আমিনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রায় দুই থেকে তিন ঘন্টার এ অভিযানে র‌্যাব সদস্যরা শীর্ষ ও  আলোচিত রোহিঙ্গা ডাকাত আবদুল হাকিমের দুই সহযোগীকে দুইটি দেশীয় তৈরি পিস্তলসহ আটক করতে সক্ষম হয়েছে।

আটককৃতরা হচ্ছে, পুরান পল্লান এলাকার মিয়ানমারের নাগরিক ধইল্যার পুত্র মোহাম্মদ ফরিদ (৩৭) ও আবুল হাসেম সর্দারের পুত্র শামসুল আলম (২২)।

ধৃতদের তথ্য অনুযায়ী র‌্যাব-৭ এর মেজর রহুল আমিন তার সদস্যদেরকে নিয়ে গহীন পাহাড় থেকে আরো ১৫টি অস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ গোলা বারুদ উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে মেজর রুহুল আমিন জানান, গোপন তথ্যে’র ভিত্তিতে টেকনাফ উপজেলা এলাকা থেকে রোহিঙ্গা ডাকাত আবদুল হাকিমের সহযোগী শামসুল আলমকে তার সাথে থাকা একটি পিস্তলসহ আটক করা হয়। এরপর তার তথ্য অনুযায়ী পাহাড়ের ঢালুতে বসবাসরত একটি বাড়ী থেকে অপর সহযোগী ফরিদ আলমকে আটক করতে সক্ষম হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তি মতে গহীন পাহাড়ে অভিযান পরিচালনা করে ১৫টি দেশীয় তৈরি শুটার গান এবং ৪৩৭টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: