শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন

অবশেষে সমঝোতা চুক্তি দুই কোরিয়ার

Koriaম্যারাথন বৈঠকের পর অবশেষে সীমান্তের উত্তেজনা কমাতে একটা সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছেছে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া। দক্ষিণের বার্তা সংস্থা ওয়াইটিএন এ তথ্য জানিয়েছে।

সম্প্রতি খনি বিস্ফোরণের ঘটনায় দক্ষিণের দুই সৈনিক আহত হওয়ার ঘটনায় উত্তর অনুতাপ ব্যক্ত করে। বিনিময়ে দক্ষিণ বলেছে, সীমান্তে পিয়ংইয়ংবিরোধী প্রচারণা বন্ধ করবে। এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়ার মধ্য দিয়েই এবারের যুদ্ধাবস্থা দূর হয়েছে।

বৈঠকের পর একটি যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বুধবার দুপুর থেকে সীমান্তে উচ্চস্বরে পিয়ংইয়ংবিরোধী প্রচারণা বন্ধ করবে সিউল।

এছাড়া আরেকটি শান্তিকামী সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে দুই কোরিয়া। ১৯৫০-৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধে ভাগ হয়ে যাওয়া দুই কোরিয়ার পরিবারগুলোকে আগামী মাসে পুনর্মিলনের সুযোগ দেওয়া হবে।

সাংবাদিকদের এ তথ্য দিয়েছেন দক্ষিণের পক্ষে সমঝোতাকারী এবং দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শক কিম কওয়ান-জিন। যুদ্ধবিরতি গ্রাম পানমুনজমে তিন দিনব্যাপী আলোচনায় এবারের উত্তেজনা প্রশমিত হলো। শনিবার বিকেল থেকে সোমবার পর্যন্ত এই বৈঠক চলে।

সীমান্তে খনি বিস্ফোরণে দুই সেনা ও এক নাগরিক আহত হলে পিয়ংইয়ংবিরোধী প্রচারণা শুরু করেছিল দক্ষিণ কোরিয়া।

শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার প্রধান নেতা কিম জং-উন তার সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেন। শনিবার বিকেলের মধ্যে সিউল লাউডস্পিকারে প্রচারণা বন্ধ না করলে দক্ষিণের ওপর হামলার ঘোষণা দেন তিনি।

জবাবে দক্ষিণ কোরিয়া সাফ জানিয়ে দেয়, তারাও প্রস্তুত আছে। এসব হুমকি-ধমকি আমলে নিয়ে এবং সম্ভাব্য যুদ্ধের কথা মাথায় রেখে সীমান্ত থেকে কয়েক হাজার জনগণকে নিরাপদে সরিয়ে নেয় দক্ষিণ।

এই পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রও দুই দেশকে শান্ত থাকার আহ্বান জানায়। কিন্তু মার্কিন সেনাবাহিনী থেকে সিউলকে আবারও আশ্বস্ত করা হয়েছিল, নিরাপত্তা ইস্যুতে দক্ষিণ কোরিয়াকে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কোনো ব্যত্যয় করবে না যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি বৈঠক চলার সময়েও সীমান্তে মার্কিন যুদ্ধবিমান উড়তে দেখা গেছে।

– শীর্ষ নিউজ,ডেস্ক।

https://www.facebook.com/coxviewnews

Design BY Hostitbd.Com