Home / প্রচ্ছদ / ঈদগাঁও আইসির সাহসী ভূমিকায় অপহৃত কিশোর ৪দিন পর উদ্ধার

ঈদগাঁও আইসির সাহসী ভূমিকায় অপহৃত কিশোর ৪দিন পর উদ্ধার

ঈদগাঁও আইসির সাহসী ভূমিকায় অপহৃত কিশোর ৪দিন পর উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিনিধি,ঈদগাঁও:
কক্সবাজার জেলার সদর উপজেলার ঈদগাঁও ইউনিয়নের পূর্ব শিয়া পাড়া গ্রামের মৃত আবদুর রহমানের পুত্র মোহাম্মদ ছাদেক নামের এক কিশোরকে ১ অক্টোবর গভীর রাতে চিহ্নিত অপহরণকারী চক্র পাহাড়ে নিয়ে গিয়ে বেঁধে রেখে মোটা অংকের টাকা দাবী করে আসছিল। ওই সময় ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসিকে ঘটনাটি অবহিত করলে তৎক্ষণাৎ এএসআই আমিরুলের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠায়। পরদিন আইসি মিনহাজ ও একদল পুলিশ পাহাড়ের সম্ভাব্য আস্তানায় অভিযান চালিয়েও ব্যর্থ হয়ে সর্বশেষ ২ অক্টোবর রাতে আবারো অভিযান চালালে অপহরণকারী চক্র তাদের আস্তানা ত্যাগ করতে বাধ্য হয়। ৩ অক্টোবর বিকালে আইসির নেতৃত্বে অবশেষে অপহৃত যুবক ছাদেককে পূর্ব শিয়া পাড়া থেকে উদ্ধার করে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে আসে।
এদিকে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের ছাদেক কান্নাজড়িত কন্ঠে বলে, তার কোন অপরাধ ছিল না। ১ অক্টোবর গভীর রাতে হঠাৎ ১০/১২ জনের একদল সন্ত্রাসী (৩/৪জন চিহ্নিত) লুটপাট ও হামলা চালিয়ে স্বর্ণালঙ্কারসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র হাতিয়ে নেয়। এতে বাধা প্রদান করলে তার বোন নাছিমা আক্তারকে হামলা চালিয়ে তাকে চোখ ও মুখ বেঁধে পাহাড়ের দিকে নিয়ে যায়। পরদিন সকালে চোখের বাঁধন খুলে দিলে সে দেখতে পায় গভীর পাহাড়ের একটি ঘরে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকা অপহরণকারীরা দাবী করলে তার পরিবার অপহরণকারী চক্রকে ধরার চেষ্টা অব্যাহত রাখায় তাকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে। এমনকি গভীর রাতে পিপড়া বা বিচ্ছুর কামড়ে তার গোটা শরীরে এক প্রকার চিহ্ন দেখা দিয়েছে। সে তাকে কিভাবে পিটিয়ে আহত করেছে তাও জানিয়েছে।
এছাড়া অপহরণকারীরা তার সাথে মিজান ও কালা পুতু নামের আরো ২ জনকেও তার সাথে বেঁধে রেখেছিল বলে সে জানিয়েছে। এক পর্যায়ে মিজান ও কালা পুতুর পক্ষ থেকে ৯০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দেওয়ায় তাদের সাথে তাকেও ছেড়ে দিয়েছে এবং তাদের আস্তানা কাউকে দেখিয়ে দিলে হত্যা করারও হুমকি দিয়েছে।
এ ঘটনার মুল হোতা লায়লা নামের এক মহিলা ও আবছার নামের এক যুবকের নাম উল্লেখ করেছে সংবাদকর্মীদের কাছে অপহৃত মোঃ ছাদেক।
উল্লেখ্য, তাদের বসতভিটা দখলে ব্যর্থ হয়ে একাধিক সাজানো মামলাতেও তার পরিবারকে ফাঁসাতে না পেরে অবশেষে অপহরণের পথ বেছে নিয়েছে বলে জানিয়েছে ছাদেকের বড়ভাই মোঃ আয়ুব। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে ছাদেকের পরিবার ঐ স্থানে বসবাস করতে পারবে না বলে ভুক্তভোগী পরিবারের দাবী।
এছাড়া ঘটনার মূল হোতা আবছার ও লায়লা বেগমকে গ্রেফতারের জন্য উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন আয়ুব ও তার পরিবার।

Share

Leave a Reply

Advertisement

x

Check Also

https://coxview.com/wp-content/uploads/2023/01/BGB-Rafiq-24-1-23.jpeg

বিপুল পরিমাণ পপিক্ষেত ধ্বংস করল বিজিবি

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম; লামা-আলীকদম : পার্বত্য জেলা বান্দরবানে থানচি উপজেলা গহীণ অরণ্যে মাদক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ...

https://coxview.com/coxview-com-footar-14-12-2023/