Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / জাতীয় / কোথায় রয়েছে বিএনপির ২২ ট্রাক ত্রাণ?

কোথায় রয়েছে বিএনপির ২২ ট্রাক ত্রাণ?

প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপি ২২ ট্রাক ত্রাণ- সামগ্রী নিয়ে গেলেও পুলিশি বাধার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে না দিতে পারলেও পরবর্তীতে কিছু ত্রাণ দেয়ার খবর পাওয়া গেছে।

দলীয় একাধিক নেতা জানিয়েছেন, মিয়ানমার থেকে জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা এসব রোহিঙ্গাদের জন্য বিএনপির ত্রাণ-সামগ্রী সরকার কোনো ভাবেই আটকিয়ে রাখতে পারবে না। তারা বিকল্প ভাবে হলেও এই ত্রাণ-সামগ্রী তাদের কাছে পৌঁছে দেবে।

এ বিষয়ে দলের মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য যে ২২ ট্রাক ত্রাণ সামগ্রী নেয়া হয়েছিল সেগুলো পুলিশি বাধার কারণে না দিতে পেরে কক্সবাজার জেলা বিএনপির কার্যালয়ে রাখা হয়। পরে আমাদের পার্টির লোকেরা ওখান থেকে কিছু ত্রাণ নিয়ে দিয়ে এসেছে। বাদ বাকিটার ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এখন দেখা যাক কি হয়।

রোহিঙ্গাদের জন্য নেয়া ২২ ট্রাক ত্রাণ সামগ্রী বিকল্প কোনো ভাবে তাদের দেয়া হবে কি না জানতে চাইলে দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামন দুদু বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে আমাদের যেসব নেতৃবৃন্দ আছে তাদের মধ্যদিয়ে আমরা পর্যায়ক্রমে আস্তে আস্তে বিতরণ করব। এটাই আমাদের উদ্যোগ। তারপর দেখা যাক সরকার কি করে।

বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা বলেন, ক্ষুধার্ত রোহিঙ্গাদের ত্রাণ সামগ্রী দেয়ায় বাধা দিয়ে সরকার অমানবিকতার পরিচয় দিয়েছে। এই কার্যক্রমে সরকার শুধু বিএনপিকেই বাধা দেয়নি, রোহিঙ্গাদেরকেও তাদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করেছে।মিয়ানমার সেনাবাহিনী মুসলিম রোহিঙ্গাদের উপর যে নির্যাতন চালিয়েছে আর বাংলাদেশের বিএনপির ত্রাণ আটকিয়ে যে কাজ করেছে এই দুয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। এই সরকার যে জনগণের সরকার নয়, জনগণের কাছে তাদের কোনো জবাবদিহিতা নেই এই ঘটনা তাই প্রমাণ করে বলেও মন্তব্য করেন তারা।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের নেতৃত্বে দলের আরেক স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং সেখানকার স্থানীয় নেতৃবৃন্দ কক্সবাজারের উখিয়াসহ বিভিন্ন রোহিঙ্গা শরনার্থী শিবিরের দিকে ২২ ট্রাক ত্রাণ-সামগ্রী নিয়ে যাত্রা করলে পথে পুলিশের বাধা দেয়ার অভিযোগ ওঠলে তা বিএনপির স্থানীয় জেলা কার্যালয়ে রাখা হয়।

সূত্র:deshebideshe.com,ডেস্ক।

Leave a Reply

%d bloggers like this: