পড়ন্ত বিকেল – সাইদুর রহমান

16-7-2015 - 24এক খন্ড সোনালী রোদ পানির উপরে পড়ে ঝিকমিক করছে| নদীর উপর দিয়ে বয়ে চলা মৃদু বাতাস ঢেউয়ের পর ঢেউয়ের সৃষ্টি করছে, যা রোদের সৌন্দয্যকে আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে|আর নদীর পাশে দাঁড়িয়ে আনমনে পানির দিকে চেয়ে আছে দীপু|দীপু সবেমাএ বার বছরে পা দিয়েছে| এই বারো বছরে দীপু তার জীবন থেকে সব হারিয়ে ফেলেছে| দীপুর বেঁচে থাকার একমাত্র সম্বল তার দাদী| পানি আর রোদের এই খেলার সাথে সাথে দীপুও খেলেই চলেছে| বার বার হাটু পানিতে নেমে যাচ্ছে আর রোদটাকে ধরার চেষ্টা করছে| এমনি করে কখনোবা নদী, কখনোবা ক্ষেতের ধারে, আবার কখনোবা আমের মুকুলের সাথে খেলা করে দীপুর দিন কাটে| গায়ে কাদামাটি করে সেদিনকার মত সন্ধার দিকে দীপু বাড়ী ফিরল| দীপুর এই অবস্থা দেখে দাদী তো রেগে আগুন| চিতকার করে বলতে থাকলেন-

এই পোলাডার লগে আমি আর পারুম না| সারাডা দিন আমার জানডারে পাগল কইরা দিল| ক্যান যে ওর বাপ-মায়ে…|

বলেই থেমে যায়| তারপর কিছুক্ষন চুপ করে বসে থাকে| এবার কোন রকমে উঠে এসে, সবকিছু খুলে দিয়ে দীপুকে গোসল করানো শুরু করে দিলো| বয়সের কারনে তেমন একটা কাজ-কাম করতে পারে না| আজ এ-গ্রাম কাল ও-গ্রাম ঢু মেরে সেদিনকার মত নিজেদের জন্য কিছু জোগাড় করতে পারলেই হলো| এভাবে চলে যাচ্ছে দীপুদের সংসার|

সন্ধ্যা হলেই দীপুকে নিয়ে ওর দাদী খেতে বসে আর পুবের সৃতিগুলো বার বার আওড়াতে থাকে| দীপুও অনেক আগ্রহ নিয়ে শোনে সেই সব কথাগুলো| গোসল শেষে আজও ওরা খেতে বসেছে| দীপু খেয়েই চলেছে| কিন্ত দাদী খাচ্ছে না, ভাত গুলোর মধ্যে আঙ্গুল দিয়ে শুধু এদিক ওদিক নাড়াচ্ছে| দীপু বলে উঠল-

দাদী তুমি খাইতাছ না ক্যান?

দীঘশ্বাস ছেড়ে দাদী জবাব দিল-

তুই বুঝবার পারবি নারে দীপু| যুদ্ধের সময় এই ভাতের লাগি, তোর বাপ-দাদায় কত যে কষ্ট কইরাছে|আর ওহন তুইও করতাছস|

দীপু অনেক আশা নিয়েই বলল-

যুদ্ধের সময় দাদাগো খাওন দিত না দাদী?

বুকভরা কষ্ট নিয়ে দাদী জবাব দিল-

তহন সক্কলেই নিজেগো জান লইয়া পালাইত| খাওন দিবো কেডায়?

হঠাত হাসি ভরা মুখ নিয়ে দাদী বলল-

একদিন অনেক রাত্তিরে তোর বাপ-দাদায় আইলো| আশা করছিল খাইয়া আবার চইলা যাইবো| হাড়িতে কোন খাওন না পাইয়া আমারে ডাইকা উঠাইলো| তোর দাদায় কইল-আমাগো একটু ভাত খাওয়াইবা| যহন তোর বাপেগো ভাত দিলাম, ওগো আনন্দ দেহে কেডা| তোর বাপে কইল-মারে কত্তদিন যে এমন ভাতের মুখ দেখি নাই| পাত্থর খাই না ভাত খাই কিছু বুঝবার পারি নারে মা| মনে হয়, এই বারে দেশডা স্বাধীন হইব| আমি ওগো কইলাম-আমি সারাডা রাইত তোগো লাইগা খাওন লইয়া বইসা থাকুম| তোরা আইসা খাইয়া যাস বাপ আমার| পোলাডায় হাসে আর কয়-মারে, ভাত খাইতে আইলে যুদ্ধ করবো কেডা|দেশডারে স্বাধীন করবো কেডা| খাওনের সময় নাইরে মা| দেশ স্বাধীন কইরাই তোর হাতের খাওন খামু| রাগ করিস না মা|

দাদীর গাল বেয়ে পানি ঝরছে| দেশও স্বাধীন হইল| তোর বাপ-দাদাও গেল| লগে লগে আমাগো কপাল থাইকা ভাত কাপড়ও লইয়া গেল| দীপু কথাগুলো শোনে আর চোখের পানিতে বালিশ ভেজায়| আর একটা সময় দাদীর আদর পেয়ে কখন যে ঘুমিয়ে পড়ে দাদীও সেটা বুঝতে পারে না|

সকাল থেকে চারিদিকে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে| আজ দীপুর দাদী বাইরে যেতে পারেনি| দীপু তার দাদীর কোলে বসে বৃষ্টি দেখছে| একটা সময় দীপু বলে উঠল-

দাদী খিদা লাগছে, একটু খাওন দিবা|

দাদী কি বলবে বুঝতে পারছে না| দীপু আবারও বলে উঠল-

ও দাদী, খিদায় যে পেট জ্বলে|

ঘরে কোন খাবার নেই| দাদী নিরুপাই হয়ে বলল-

আইজগা না খাইয়া থাকবার পারবি নারে দীপু| তোর আগুন আমি নিভাইমু কি দিয়া|

দীপু আনন্দের সাথে বলে উঠল-

দাদী না হয় আইজগা আমিই যায়| তুমি তো প্রতিডা দিনই যাও|

দাদী কোন কথা বলতে পারলো না| অবাক হয়ে তিনি দীপুর দিকে চেয়ে থাকলেন| কৌতহলবশত দীপু বলে উঠল-

আচ্ছা, দাদী আমাগো কিছু আছিল না|

দীঘশ্বাস ছেড়ে দাদী জবাব দিল-

বহুত কিছুই আছিলরে বাপ|

হঠাত আগুন মাখা চোখে তিনি বলে উঠলেন-

আল্লা ওরে ধংস করুক, জাহান্নামি হ, সব্বাই বেইমান|

 দীপু বলে উঠল-

কারে কও দাদী?

দীপুর দাদী বলতে শুরু করলো-

তহন যুদ্ধ শেষ| সব্বাই যার যার বাড়ী ফিইরা আইলো| কয়ডা দিন চইলা গেল, তোর বাপ-দাদায় আর আহে না|পরে জানবার পারলাম, ওরা আর বাইচা নাই|বুক চাপড়াইয়া কত কানলাম, কেউ আগাইয়া আইলো না|

কিছুক্ষন চুপ করে থাকলেন| আবার আগুন মাখা চোখে বলে উঠলেন-

সুযোগ বুইঝা সিকদার আমাগো সক্কল জমিগুলান দহল কইরা লইলো| আমি একলা মানুষ সক্কলের দ্বারে দ্বারে গিয়া কইলাম, কোন কাম হইল না| সিকদার কইলো-যুদ্ধে যাওনের আগে রহমত মিয়া আমার কাছ থাইকা পাচ হাজার টাহা লইয়া গেছে| আমি কইলাম এত টাহা দিয়া কি করবা? রহমত কইলো, যুদ্ধে যাইতাছি,দেশডারে স্বাধীন করুম| যুদ্ধে যাইয়া থাকতে খাইতে টাহা লাগবো না| কত্তদিন বাদে দেশডা স্বাধীন অইবো সেডা তো আর কওন যায় না| কইলো, জমিগুলান রাইখা টাহাটা দেন| দেশ না বাচলে জমি দিয়া কি করুম| আগে নিজের দেশ তারপরে জমিন|

দীপুর দাদীর চোখে পানির থেকে এখন ক্রোধের পরিমানটা অনেক বেশি|দাদী বলতে থাকলেন-

সব বজ্জাত|ওই হারামীর ব্যাটার লাগি আইজগা আমার দীপুর এত কষ্ট| আল্লায় সইবে নারে, আল্লায় সইবে না|

কিছুক্ষন থামার পর আবার শুরু করলেন-

মইরা যাওনের পর আল্লার কাছে গিয়া কমু, হে আল্লা এই জন্যই কি সহল সুখ আল্লাদ ছাইড়া, বুকে পাত্থর বাইন্দা স্বামী-সন্তানেরে যুদ্ধে দিছিলাম| কাগো জন্য ওরা যুদ্ধ করলো| সব বেইমান| পরনের কাপড় কারলো, জমি কারলো সব কাইরা নিল ওই বেইমানেরা| তুমি ওগো বিচার কইরো|

কথাগুলো শুনতে শুনতে খাবারের কথা এখন আর দীপুর মনে নেই| এমন কতদিন না খেয়ে কেটেছে সেটা মনে নেই দীপুর| সেদিন অবিরাম ধারায় বৃষ্টি পড়তে থাকলো|

দীপু এখন বুঝতে শুরু করেছে| এখন সে বেজন্মা শব্দটির অথ বুঝে| দীপুর বেজন্মা হবার ইতিহাসটা তার দাদীর কাছ থেকে শোনা| একদিন রাতে পাকিস্তানী বাহিনী দীপুর বাপ-দাদাকে খুঁজতে ওদের বাড়ীতে আসে| ওদের না পেয়ে দীপুর মাকে তুলে নিয়ে যায়| তখনও দীপুর জন্ম হয়নি| বেশকিছু দিন নিযাতনের পর দীপুর মাকে ছেড়ে দেওয়া হয়| তারপর থেকে সবাই তাকে পাকিস্তানীদের দেহরক্ষিতা বলে ডাকা শুরু করে| দীপু জন্মের আট মাস পরে দীপুর মা মারা যায়| দেহরক্ষিতা বলে গ্রামের মুসলিম সমাজ কবর পর্যন্ত দিতে বাধা দেয়| তাদের মতে-এসব নষ্টা, দেহরক্ষিতার কবর এই বাংলার মাটিতে দিয়ে বাংলার মাটিকে কলংকিত করা যাবে না|তখন দীপুর বাপ-দাদার কোন খবর নেই| দীপুর দাদী অনেক ধরাধরির পর মাঠের মাঝখানে পুতে রাখার অনুমতি দেওয়া হয়| সে জন্যই সবাই ধরে নেয় দীপু পাকিস্তানী দোসরদের ফসল| তাই দীপুকে সবাই বেজন্মা বলে ডাকে|দীপুকে সেটা শুনতেই হবে| কারন, আজ তার স্বাধীন বাংলার আকাশ আছে কিন্ত বাংলার বুকে তার স্বাধীনতা নেই|

দীপুর পড়াশোনা শেখার খুবই স্বাধ ছিল| যখন দীপুর সমবয়সীরা স্কুলে পড়তে যেত, কেবল তখনই দীপুর নিজেকে অনেক দুঃখী মনে হত|স্কুলে কি পড়ায়, কিভাবে পড়ায় তা দেখার এবং শোনার জন্য প্রায়ই দীপু স্কুলের পেছনটায় দাঁড়িয়ে থাকত| আর বাকী ছাএ-ছাএীদের সাথে নিজের পড়ার চচাটা করে ফেলতো| এভাবে দীপু অনেক কিছুই শিখেছিল| একদিন স্কুলের মনোরঞ্জন নামের এক হিন্দু মাষ্টার দীপুকে দেখে ফেলল| সাথে সাথে দীপুকে ধরে আনা হলো| এই দুনিয়াতে দীপুর বলার মত কেউ নেই বলে, দীপুকে সমানে বেএঘাত করা হল| আর বলতে থাকলেন-

ছিঃ,ছিঃ, এত্তদিনে দেবতারা স্কুলে আওন-যাওন করতো| এই বেজন্মার আওনের ফলে দেবতারা সব চইলা গেল রে|কারন ওযে অপবিত্র রে| এহন মহাগুরু মহাদেব মুখ ফিরাইয়া লইবে যে, ধ্বংস নামবো এহানে| সক্কলে স্কুলডারে তাড়াতাড়ি গোবর দিয়া ভাল কইরা ছাপ কইরা ফেল| আবার যদি তোরে এই স্কুলের ধারে দেহি, তোরে আর আস্ত রাহুম না|

মার খেয়ে রাতে তেড়ে জ্বর এলো দীপুর| জ্বরের প্রকোপে দীপু প্রলাপ বকতে থাকতে-

মারে, তুমি আমারে নিয়া চলো| আমারে ক্যান একলা রাইখা চইলা গেলা| সক্কলে আমারে বেজন্মা কইয়া গালি দেয়|খালি মারে, আর পারি নারে মা|বাবারে পাঠাও না মা| বাবার কোলে চইড়া আমি আবার তোমার কোলে ফিরা যাই|

এভাবে প্রায় পনের দিন পর দীপুর জ্বর ভালো হইলো| দীপুর সেবা করতে গিয়ে দাদীর শরীরে হাড় ছাড়া আর কিছুই দেখা যায় না| দীপুকেও ঠিক চেনা যাচ্ছে না|

আজ অনেকদিন বাদে দীপু আবার খেলতে বাইরে এসেছে| আজ তার খেলার সাথী ক্ষেতের ফসল| মাঠের মাঝখান দিয়ে দীপু পাখির মত ডানা মেলে উড়ে যাচ্ছে| হঠাত পায়ে হোচট খেয়ে দীপু পড়ে গেল| পেছন ফিরে তাকাতেই দেখতে পেল একটা মাথার খুলি|দীপু খুলিটাকে কোলে নিয়ে পরম স্নেহে নিজের জামা দিয়ে মুছতে থাকে| একটা সময় খুলিটা নিয়ে দীপু বাড়ী ফিরল| দীপুর হাতের খুলিটাকে দেখে এবং দীপুর বর্ণনা শুনে দীপুর দাদী কাদতে শুরু করলো| বলতে লাগলেন-

ফিরা আইলি আবার| কি দেখনের লাগি ফিরা আইলি| দেখ বউ তোর পোলা কেমন বড় হইতাছে| বাপের কোলে চইড়া বাপকে দেখতে আইলি বউ|

দীপুর আর বুঝতে বাকি রইল না| এটা দীপুর মায়ের খুলি| আবার মাকে কাছে পেয়ে দীপুর খুশির অন্ত নেই| দীপু প্রতিদিন খুলিটাকে ধুয়ে মুছে পরিস্কার করে রাখে| দীপু মনের মত করে মায়ের খুলিটাকে সাজিয়েছে| কপালে টিপ, মাথার উপরে একখন্ড লাল রঙয়ের কাপড় আরো কত কি| প্রতিদিন মায়ের কপালে চুমু দেয় আর হাসে| যখনই কেউ বেজন্মা বলে গালি দেয়, তখনই মায়ের খুলিটাকে কোলের উপর বসিয়ে নিয়ে মায়ের সাথে কত কথাই না বলতে থাকে|

আজ কয়েকদিন হলো দীপুর দাদী বিছানায় পড়ে আছে| নাওয়া-খাওয়া সব বন্ধ| দীপু দিন-রাত দাদীর সেবা করে যাচ্ছে| এখন সন্ধ্যা নেমেছে| দীপুর দাদীর চোখের কোনায় পানি জমে উঠেছে| দাদী দীপুর হাত ধরে পাশে বসালো| দাদীর কণ্ঠে আজ অন্যরকম সুর| দাদী কাপা কাপা কণ্ঠে বলতে শুরু করলেন-

আমি আর বাচুম নারে বাপধন| তুই আর এইহানে পইড়া থাহিস নারে দীপু| দুরে বহুত দূরে চইলা যাস| যেহানে কেউ তোরে আর বেজন্মা কইয়া গালি দিব না| এহানে তুই বাচবার পারবি নারে জানের ধন|চইলা যাস| তোর লাইগা কষ্ট হইতাছে| তোরে এহন কেডায় দেখবো|

এমনিই আরো অনেক কথাই বলতে থাকলেন| সকাল হবার অনেক আগেই সবাইকে ছেড়ে দীপুর দাদীও চলে গেল| এখন এ পৃথিবীতে কাদবার জন্যও দীপুর আর কেউ রইল না| দীপু তার কয়েকটা ছেড়া জামা আর প্যান্ট একটা পুটলিতে গুছিয়ে নিল| এবার দীপু বাড়ীর বাহির হল| এক হাতে তার কাপড়ের পুটলি আর অন্য হাতে মায়ের মাথার খুলি| দীপু গ্রামের মাঝপথ বেয়ে হেটে চলেছে| গ্রামের শেষ মাথায় পা দিয়ে পেছন ফিরে আরেকবার চোখ বুলিয়ে নিল তার বেড়ে ওঠা গ্রামটার দিকে| এবার মায়ের মাথার খুলিটাকে উপরে তুলে বলতে থাকলো-

মারে তোমরা সক্কলে আমারে একলা রাইখা চইলা গেলা| আমি এহন কোনখানে যামু, কার কাছে থাকুম, কি খাইয়া বাচুম, আমারে কইয়া দেও মা| আমি কি দোষ করছিরে মা| একটু খাওনের লাগি সক্কলেই আমার পেটে লাথি মারে| বেজন্মা কইয়া বাড়ী থাইকা বাইর কইরা দেয়| আমি আর সইতে পারি নারে মা|

শুধু দীপুর মা নয়|দীপুর মায়েদের মত লক্ষ নারীর কণ্ঠ থেকে চারিদিকে ধ্বনিত হতে লাগলো-

আমরা ভুল কইরাছিরে বাজান, ভুল কইরাছি| আমরা কাগো লাইগা যুদ্ধ করলাম, কাগো লাইগা মাসের পর মাস নিযাতন সহ্য করলাম| শুধু এই দেশডারে বাচামু বইলা| কি যে কষ্ট সহ্য কইরাছিরে বাজান| সব্বাইরে বলবার চাই-

মরণের আগে কেউ কি জাহান্নাম দেইখাছ, আমরা দেইখাছি, আমরা সহ্য কইরাছি সেই জাহান্নামের কষ্ট| শুধু এই দেশডার লাগি, আমাগো সন্তানের লাগি| তবুও তোমাগো মাটিতে আমাগো জায়গা হয় না| হ, আমরা নষ্টা, আমরা দেহরক্ষিতা খালি এই দেশডার লাগি|

লক্ষ কণ্ঠের এই ধ্বনিগুলোকে বাতাস এপাশ থেকে ওপাশে ছড়িয়ে দিছিলো| কারন, এই বাংলার বাতাসও যে চিরঋনি দীপুর মায়েদের মত লক্ষ নারীর কাছে|

এবার দীপু মাথার উপর মায়ের খুলিটাকে নিয়ে অজানার পথে খালি পায়ে হাটতে থাকলো|

দেশেবিদেশে অনলাইনডেস্ক।

Leave a Reply

%d bloggers like this: