শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:২১ অপরাহ্ন

শিরোনাম
বিএনপির জন্য অপেক্ষা করবে নির্বাচন কমিশন রামুতে শত বৎসরের চলাচলের রাস্তা দখল মুক্ত করল উপজেলা প্রশাসন মহেশখালীর খাইরুল আমিন হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশীপ প্রতিযোগিতায় লামার মডার্ণ স্কুলের অভাবনীয় অর্জন ভ্রমণে ইনানী সমুদ্রসৈকত চমেকে ঈদগাঁওর সংবাদকর্মী পুত্র জামির সফল অপারেশন সম্পন্ন কক্সবাজারে আইনজীবীদের আদালত বর্জন কর্মসূচী স্থগিত টনসিলের ব্যথা দূর করার উপায় প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করতে চট্টগ্রামে যুবলীগের প্রস্তুতি সভা ২৬ শর্তে বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দীতে গণসমাবেশের অনুমতি এডঃ হারুন অর রশিদ’র পিতার মৃত্যুতে কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির শোক প্রকাশ

বন্দুকযুদ্ধে মৃত্যু আইনের অধীনেই হচ্ছে -আইজিপি

IGPআইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কথিত বন্দুকযুদ্ধ নিয়ে নানা সমালোচনা হলেও তার পক্ষেই মত দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ.কে.এম শহীদুল হক।
রবিবার দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে তিনি দাবি করেন, ‘বন্দুকযুদ্ধে সন্ত্রাসীদের মৃত্যু আইনের অধীনেই হচ্ছে।’
আইজিপি বলেন, ‘যে কোনো ক্রসফায়ার অথবা বন্দুকযুদ্ধে কারো মৃত্যু হলে সে বিষয়ে পুলিশকে জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হয়। তাছাড়া এ বিষয়ে পুলিশ দপ্তরে বিস্তর অনুসন্ধান চালানো হয়।’
তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসীদের কোনো দল নেই। তারা যত ক্ষমতাবানের ছত্রছায়ায় থাকুক না কেন, তাদের কঠোরভাবে দমন করবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।’
এ সময় সন্ত্রাসী যে দলের, যত প্রভাবশালীই হোক তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্তি করেন শহীদুল হক।
তিনি জানান, ‘আইনগত ব্যবস্থা নিতে গিয়ে যদি পুলিশ হুমকির মধ্যে পড়ে, পুলিশের জীবননাশের আশঙ্কা থাকে সেখানে অনেক সময় গানফাইট হয়। সেই গানফাইটে যদি কারো মৃত্যু হয়, সেটাও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে।’
পুলিশ প্রধান বলেন, ‘সেটা আমাদের জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে হয়, এক্সিকিউটিভ এনকোয়ারি করতে হয়। কিন্তু আমরা আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়নের জন্য, মানুষের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে, সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রচেষ্টা আমরা চালিয়ে যাব।’
এর আগে বাংলাদেশ পুলিশ ও ইন্টারপোলের সহায়তায় আয়োজিত ‘ইন্টেলিজেন্স এনালাইসিস ফর টাইগার রেঞ্জ কান্ট্রিজ’ আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সন্ত্রাসীদের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স দেখানোর নির্দেশ দেন আইজিপি।
তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে লাভবান হয়। তারা যদি জননিরাপত্তার ও আইনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি হয় তাহলে তখন তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ দেখাতে হয়।’
শহীদুল হক বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো আছে, আমরা ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছি। যেখানে সন্ত্রাসী ও আইন অমান্য হবে সেখানেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
দুই সপ্তাহের এ প্রশিক্ষণ কোর্সে ১০টি দেশের ২০ প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ, ভুটান, কম্বোডিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, নেপাল, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম।
প্রশিক্ষণ কোর্সে বাঘ ও অন্যান্য বন্যপ্রাণি পাচাররোধ, বাঘ সংরক্ষণ সংক্রান্ত ইন্টেলিজেন্স সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
-গ্লোবটুডেবিডি,ডেস্ক।

https://www.facebook.com/coxviewnews

Design BY Hostitbd.Com