Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / জাতীয় / সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় দেব না : প্রধানমন্ত্রী

সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় দেব না : প্রধানমন্ত্রী

Shekh Hasina

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সব সময় আমাদের একটা সন্ত্রাসবিরোধী ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদকে আমরা কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেব না।

বুধবার সকালে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে হুইপ শহিদুজ্জামান সরকারের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।

প্রশ্নকর্তা শহিদুজ্জামান প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, জঙ্গি তত্পরতায় আজ গোটা মুসলিম উম্মাহ জর্জরিত। আপনি (প্রধানমন্ত্রী) শুধু বাংলাদেশের নেত্রী নন, ইতিমধ্যে বিশ্বনেত্রী হিসেবে আপনি আপনার স্থান করে নিয়েছেন। জঙ্গি তত্পরতা রোধ করার জন্য মুসলিম উম্মাহকে জাগিয়ে তোলার কোনো প্রয়াস ইতিমধ্যে গ্রহণ করেছেন কি না? না করে থাকলে আগামী দিনে কোনো উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়াস আছে কি না?

প্রধানমন্ত্রী জবাবে বলেন, ‘সব সময় আমাদের একটা সন্ত্রাসবিরোধী ভূমিকা রয়েছে। কোনোমতেই আমরা জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দেব না। এটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাই মুসলিম উম্মাহকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়াবার আহ্বান সব সময় জানিয়েছি। ওআইসি সম্মেলনে যতবার গিয়েছি ততবারই এই প্রশ্নটা তুলেছি এবং আহ্বান করেছি। ওআইসি মহাসচিবের সঙ্গে যখনই দেখা হয়েছে তখনই আমি এই কথাটি বলেছি।’

সৌদি আরব জোটে বাংলাদেশের যোগদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সৌদি আরব একটা উদ্যোগ নিয়েছে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দূর করার জন্য। এটি একটি ইসলামিক জোট। সেই জোটে বাংলাদেশ যুক্ত হয়েছে। প্রায় ৪০টি দেশ এতে যুক্ত হওয়ার ফলে আজকে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে গোটা মুসলিম বিশ্বের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এবং সেই সুযোগ বাংলাদেশেরও আছে।’

তিনি বলেন, ‘জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য যা যা করণীয়, বাংলাদেশ তা করবে। যা ইতিমধ্যে আমি সৌদি বাদশাহকেও জানিয়েছি, অন্যান্য মুসলিম দেশ এবং ওআইসিকেও জানিয়েছি। এ ব্যাপারে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আজকে যে সমস্ত ঘটনা ঘটছে, এই ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে। ইসলাম শান্তির ধর্ম। এই শান্তির ধর্মের সম্মানকে আমরা যেন আরো উচ্চ শিখরে নিতে পারি, সেই প্রচেষ্টাও আমাদের অব্যাহত থাকবে।’

প্রশ্নকর্তার লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সৌদি আরব সফরের ফলে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে এবং মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে গতি আসবে। এই সফর বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ককে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে।’

সূত্র:risingbd.com

Leave a Reply