Home / প্রচ্ছদ / সাম্প্রতিক... / ধর্ম / দুর্গোৎসবকে ঘিরে সাজ সাজ রব চলছে : চকরিয়ায় ৪৪ পূঁজা মন্ডপে নিরাপত্তায় প্রস্তুত তিন স্তরের প্রশাসন

দুর্গোৎসবকে ঘিরে সাজ সাজ রব চলছে : চকরিয়ায় ৪৪ পূঁজা মন্ডপে নিরাপত্তায় প্রস্তুত তিন স্তরের প্রশাসন

 

মুকুল কান্তি দাশ; চকরিয়া :

আর মাত্র ২ দিন পর ১৯ সেপ্টেম্বর মহালয়া দিয়ে প্রারম্ভিক সূচনা ঘটতে যাচ্ছে শারদীয় দূর্গোৎসবের। ১০দিন পর ২৬ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠীর মাধ্যমে মুল উৎসব শুরু হবে। এবার দেবী মর্ত্যলোকে আসছেন নৌকায় চড়ে, ঘোটকে চড়ে দেবলোকে প্রস্থান করবেন। এই উৎসব ঘিরে কক্সবাজারের চকরিয়ায় চলছে সাজ সাজ রব। শহর ছাপিয়ে গ্রামেও ছড়িয়েছে পূঁজোর আমেজ। এরইমধ্যে উপজেলার ৪৪টি পূজা মণ্ডপে মৃৎশিল্পীদের হাতের নিপুণ ছোঁয়ায় দেবী দুর্গার বিমূর্ত অবয়ব ফুটে উঠেছে। আগামী ২৬শে সেপ্টেম্বর ষষ্ঠী বিহিত পূঁজার মাধ্যমে দেবী দূর্গার মূল অনুষ্ঠান শুরু হবে। শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্ততি।

পূজার সময় যতোই ঘনিয়ে আসছে ততোই ব্যস্ততা বাড়ছে সনাতন ধর্মালম্বীদের মাঝে। সবচেয়ে বড় উৎসব হওয়ার কারণে দুর্গা পূঁজার মণ্ডপগুলোতে প্রতিবছর ভিড় করেন অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও। তাই এবারও চকরিয়ায় দুর্গাপূঁজাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মিলন ঘটবে বলে আয়োজকরা আশা করছেন।

চকরিয়া সার্বজনীন কেন্দ্রীয় হরি মন্দির পূঁজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ মিত্র জানান, ঝাঁকজমক পূর্ণভাবে মা’ দূর্গার অর্চনা করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতিমা তৈরীর কাজ শেষ পর্যায়ে। শুধু মাত্র রংয়ের তুলিতে মা’কে সম্পন্নরুপে ফুটিয়ে তোলার কাজ বাকি রয়েছে। আশা করি ষষ্ঠী পূঁজার আগেই সমস্ত কাজ শেষ হয়ে যাবে।

চকরিয়া পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবলা দেবনাথ বলেন, উপজেলার এবার ৪৪টি মণ্ডবে পূঁজা এবং ৩৭টি মন্ডপে ঘট পূঁজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে চকরিয়া পৌরসভায় ৭টি, উপজেলার ফাঁসিয়াখালীতে ৬টি, কাকারায় ৩টি, বরইতলীতে ৬টি, হারবাংয়ে ৬টি, সাহারবিলে ২টি, ডুলহাজারায় ৭টি, খুটাখালীতে ১টি, চিরিংগা ইউপিতে ২টি, কৈয়ারবিলে ২টি ও পূর্ব বড় ভেওলায় ২টি মন্ডবে প্রতিমা পূঁজা অনুষ্ঠিত হবে।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, দূর্গা পূঁজা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন করতে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় থাকবে। মোতায়েন থাকবে পুলিশের মোবাইল টিম, র‌্যাবের স্ট্রাইকিং ফোর্স, আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা। আশা করি সুষ্ঠভাবে দূর্গোৎসব সম্পন্ন হবে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম বলেন, সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দূর্গা পূঁজা। এরমধ্যে আয়োজকদের সাথে সব ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রতি বছর সরকারীভাবে যে বরাদ্দ দেয়া হয় আশা করি তা পূঁজো শুরুর আগেই চলে আসবে। পূজাতে যাতে আইন-শৃঙ্খলায় কোন সমস্যা না হয় সেজন্য পুলিশ, র‌্যাব সার্বক্ষণিক নিয়োজিত থাকবে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: